অতিথিদের জন্য জালালউদ্দিন রুমির বই দিলেন বিরাট-অনুশকা

0
85

সাধারণত বিয়েবাড়ীর অতিথিরা নবদম্পতির জন্য উপহার নিয়ে যান। তবে বিরাট-অনুশকা করলেন তার বিপরীত। অতিথিদের জন্যই বরং উপহার দিলেন জালালউদ্দিন রুমির বই।

অভিনব এই কর্মটি করে রীতিমত সাড়া ফেলে দিয়েছেন বলিউডে।

এই তারকা জুটির বিয়ের অন্যতম আয়োজক দেবিকা নারায়ণ জানিয়েছেন ব্যয়বহুল এই বিয়েতে আসা অতিথিদের জন্য ছিল দারুণ এক ‘রিটার্ন গিফট’। ইতালির ফ্লোরেন্সে পরিবার ও বন্ধু মহলের ঘনিষ্ঠজনদের নিয়ে বিয়ের অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন আনুশকা শর্মা ও বিরাট কোহলি। সেই অনুষ্ঠানে আসা প্রত্যেক অতিথির হাতে তাঁরা তুলে দেন পারস্যের কবি জালালউদ্দিন মোহাম্মদ রুমির কবিতাসমগ্র। অনেকেরই হয়তো অজানা, বিরাট ও আনুশকা দুজনেই আধ্যাত্মিক চর্চা করেন। আর তাঁদের রুমির কবিতা ভীষণ প্রিয়।

দেবিকার কাছ থেকে আরও জানা যায়, আনুশকা নাকি বিয়ের সময় আর দশটা সাধারণ মেয়ের মতোই আচরণ করেছেন। এই বিয়ে আয়োজকের মতে, ‘আনুশকা একেবারেই গতানুগতিক এক কনের মতো আচরণ করেন। তিনি আমাকে বিভিন্ন নমুনা ছবি দেখাতেন। বিয়ের প্রতিটি খুঁটিনাটির সঙ্গে জড়িত ছিলেন এই কনে। অনুষ্ঠানে কোন কাজ কীভাবে হবে, সব তাঁরই পরিকল্পনা ছিল। আমরা তা বাস্তবায়ন করেছি মাত্র।’

‘বিরুশকার’ বিয়ের নিমন্ত্রণপত্রের সঙ্গে আগত অতিথিদের জন্য দেওয়া হয় একটি গাছ
ইতালিতে বিয়ের তিন দিন একই অতিথিরা নিমন্ত্রিত ছিলেন। প্রথম দিন ছিল ‘পানচিনি অনুষ্ঠান’ এবং তার সঙ্গে অতিথিদের জন্য ছিল মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন। দ্বিতীয় দিন ছিল ‘মেহেদির অনুষ্ঠান’। সেদিন অতিথিদের জন্য রাতে ছিল ‘বন ফায়ার’। আর তৃতীয় দিন ছিল মূল আয়োজন, মানে বিয়ের অনুষ্ঠান।

২১ ডিসেম্বর নয়াদিল্লিতে ও ২৬ ডিসেম্বর মুম্বাইয়ে আনুশকা-বিরাটের বিবাহোত্তর সংবর্ধনা আয়োজন করা হয়েছে। এই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিদের কাছে ইতিমধ্যে বিয়ের নিমন্ত্রণপত্র পৌঁছে গেছে। অবশ্য এটিকে শুধু নিমন্ত্রণপত্র বললে ভুল হবে। কারণ নিমন্ত্রণের সঙ্গে এই জুটি অতিথিদের কাছে পাঠিয়েছেন শুকনো ফল, মিষ্টান্ন আর একটি করে গাছের চারা। অভিনব ভাবনা বটে!