অনাচারের বিরূদ্ধে শুভবুদ্ধির উদয়ের প্রত্যাশা নিয়ে বাংলা নতুন বছরকে বরণ করলো বাঙালীরা

0
140

শারমিন আজাদ : পহেলা বৈশাখ, বাংলা ১৪২৬ সনের প্রথম দিন। পুরনো বছর শেষে কালের নিরন্তর যাত্রায় যোগ হল আরেকটি নতুন বছর। বাংলা নববর্ষ উদযাপনের সঙ্গে ছায়ানটের সম্পর্ক জড়িয়ে আছে নিবিড়ভাবে।

এ বছর সামাজিক সকল অনাচারের বিরুদ্ধে মানুষের মনে শুভবোধ জাগিয়ে তোলার মানসে নতুন বাংলা সনকে বরণ করবে ছায়ানট।

বাংলা ১৪২৬ সনের প্রথম সূর্যোদয়। নতুন সূর্যকে বরণ করে নিয়েছে ছায়ানট রাগ ললিতের ঝংকারে। এ আলাপ ও বন্দনার মধ্য দিয়ে শুরু হয় রমনায় বর্ষবরণ। অনাচারের বিরুদ্ধে জাগ্রত হোক শুভবোধ- এ আহ্বানে সাজানো হয়েছে রমনার বটমূলের প্রভাতী আয়োজন।

বাঙালি ঐতিহ্য প্রকাশের অনিন্দ্য উৎসবটির প্রচলন হয়েছিল ১৯৬৭ সালে। সেসময়ে পাকিস্তানি সরকারের রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করেই এগিয়ে যায় বর্ষবরণের আয়োজন। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের বছরটি ছাড়া প্রতিবছর হয়ে আসছে বর্ষবরণের এই প্রভাতী অনুষ্ঠানমালা।

প্রথম আলোয় লহো প্রণিপাত এর সম্মিলিত সুরে আহ্বান জানানো হয় হিংসায় উন্মত্ত পৃথিবীতে শান্তির সুধাধারা বর্ষনের।

বৈশাখে অমৃত বারি এনে শূচি হোক ধরা এমন প্রত্যাশা ছড়িয়ে পড়ে আপামর জনতায়।

নববর্ষের আনন্দমাখা রংময়তায় নাগরিক মননের চেতনাকে বরাবরই শাণিত করেছে বাংলা নববর্ষ উদযাপনের এ আয়োজন।

ছায়ানটের ৫১ তম আয়োজনে সত্য সুন্দরের জয় আর অপশক্তির পরাজয়ই মূল বন্দনা।