অবশ্যই বিয়ের আগে এই প্রশ্নগুলো পার্টনাররের কাছে জেনে নিন

0
557

বিয়ে নিয়ে কম বেশি উদ্বিগ্ন সবাই থাকে। পার্টনার ঠিক কেমন হবেন? তাঁর পছন্দ-অপছন্দ সব কিছু আগে থেকে জানা থাকলে কিন্তু বিয়ে পরবর্তী জটিলতা থেকে অনেকটাই মুক্ত থাকা যায়।

তার জন্য পার্টনারের সঙ্গে আগাম কিছু আলোচনা করা জরুরি। সম্পর্ক মসৃণ করে তুলতে এমন কিছু প্রশ্ন করতে পারেন পার্টনারকে। এতে পার্টনারের পছন্দ-অপছন্দ নিয়ে অনেকটাই ধারণা হবে।

পার্টনারের আর্থিক স্বচ্ছলতার দিক সম্বন্ধেও ওয়াকিবহাল থাকা উচিৎ প্রত্যেকের। তিনি কত মাইনে পান? বা তাঁর কোনও বড় ব্যাংক ঋণ রয়েছে কি না? এ সব জানতে ভুলবেন না।

আপনি কি জানেন আপনার পার্টনারের সুপ্ত ইচ্ছা কী? পরিবারের উপর থেকে দায়বদ্ধতা থেকে যদি মুক্তি দেওয়া হয়, তাহলে তিনি বর্তমান চাকরি ছেড়ে অন্য কী পেশা বেছে নেবেন? এগুলো জেনে নিন এবং নিজের সুপ্ত ইচ্ছার কথাও তাঁকে জানান। দু’জনের এই সুপ্ত ইচ্ছা পাশাপাশি রেখে মিলিয়ে দেখুন ভবিষ্যতে ইচ্ছাপূরণের সুযোগ এলে আপনারা কতটা মানিয়ে নিতে পারবেন?

জীবনে ওঠাপড়া থাকবেই। তা মোকাবিলা করার ক্ষমতা প্রতিটা মানুষের আলাদা। কেউ খুব সাবলীলভাবে মোকাবিলা করে ঘুরে দাঁড়ান, তো কেউ জীবন থেকেই হার মেনে নেন। পার্টনারকে প্রশ্ন করুন, তেমন পরিস্থিতির মোকাবিলা ঠিক কী ভাবে করবেন তিনি?

তিনি কি বাচ্চা ভালবাসেন? ভীষণ রেগে গেলে কীভাবে নিজের আবেগ নিয়ন্ত্রণে আনেন? বা সম্পর্কের অবণতি হলে বা কোনওরকম ভুল বোঝাবুঝি হলে সেই সমস্যার সমাধান কীভাবে করবেন? সবচেয়ে বড় কথা, শুধু নিজে খুশি থাকা নয়, সম্পর্ক ঠিক রাখতে একে অপরকে খুশি রাখাটাও অনেক বেশি জরুরি। আপনার পার্টনার আপনাকে খুশি রাখতে কী করবেন? জানতে ভুলবেন না।

সম্পর্কে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যকর যৌন জীবন। তাই পার্টনারের সঙ্গে এ বিষয়ে খোলাখুলি আলোচনা করে নিন। পার্টনারকে জিজ্ঞাসা করতে পারেন, তাঁর কাছে মনোগ্যামির অর্থ কী? বা তিনি অনলাইন সেক্স, চ্যাট-এ অভ্যস্ত কি না? বা তাঁর যৌন তৃপ্তি নিয়ে। অবশ্যই খেয়াল রাখবেন এই প্রশ্নগুলো করার সময় আপনার পার্টনার যেন কোনওভাবে অপ্রস্তুত অনুভব না করেন। তা না হলে হিতে বিপরীত হতে পারে। আপনার থেকে অনেক কিছুই লুকিয়ে যেতে পারেন তিনি।