শারমিন আজাদ :

সরকারি স্থাপনার সামনে অবৈধ পার্কিং ও দখলদারি হকারদের বাগে আনতে পারছে না কর্তৃপক্ষ। দোকানিদের অভিযোগ, সিটি কর্পোরেশন ও পুলিশের কিছু লোককে নিয়মিত চাঁদা দিয়েই চলতে হয় তাদের।

অথচ এই হকারদের পুনর্বাসনের উদ্যোগও নিয়েছে সরকার। ভোগান্তিতে পড়া সাধারণ মানুষ মনে করছেন, প্রশাসনের কতিপয় ব্যক্তির যোগসাজশেই চলছে এসব।

নিয়ম অনিয়মের ক্যামেরা দেখে নিজের পরিচয় অস্বীকার করেন এই হকার। দোকান ছেড়ে পালিয়ে যান।
এরকম আরো অনেক হকার আছেন গুলিস্তান, নিউমার্কেট, মতিঝিলসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায়।

হকারদের স্পষ্ট বক্তব্য, এজন্যে দিনে দুইবার টাকা গুনতে হচ্ছে তাদের। অথচ এসব ঘটনা ভোগান্তিতে ফেলছে সাধারণ পথচারীকে। এমনকি সরকারি পার্ক দখল করেও চলছে হোটেল ব্যবসা।

এসব নিয়ে উচ্ছেদ অভিযানও চলে সিটি কর্পোরেশনের। ফলাফল শূন্য। কেন? জানতে চাইলে সর্ষের ভিতর ভুতের মতো কর্পোরেশনের গাফিলতির কথা স্বীকার করলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এর প্রধান নির্বাহী খান মোহাম্মদ বিল্লাল

রিপোর্টার: শারমিন আজাদ

গাড়ি পার্কিং এর ক্ষেত্রেও রয়েছে অনিয়মের অভিযোগ। আর সরকারি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের সামনে এসব অনিয়মের শেষ কোথায়?