শারমিন আজাদ:

মাদক ব্যবসা চিহ্নিত স্পটগুলোতে অভিযানের পর খোলামেলা বিক্রি হচ্ছে না মাদক। কিন্তু অন্যভাবে চলছে, মাদকের বেচাকেনা। মাই টিভির অনুসন্ধানী টিমের ক্যামেরায় ধরা পড়েছে মাদক বিক্রি ও সেবনের অভিনব পন্থা।

চলন্ত গাড়িতে বিক্রি হচ্ছে ইয়াবার মত মাদক, ফেসবুকের মতো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফোন নম্বর দিয়েও চলছে বিক্রি।

রাজধানীতে মাদক কেনাবেচার বিপদজনক জায়গা হিসাবে বিহারী ক্যাম্পগুলোকে চিহ্নিত করেছে মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। সেই তথ্য নিয়েই, জেনেভা ক্যাম্পে নিয়ম অনিয়ম টিম।

যেসব অলিগলিতে আগে বিক্রি হতো ইয়াবা ও অন্যান্য মাদক, সেসব এখন মাদকমুক্ত বলছে এলাকাবাসী। তবে একটু এগোতেই কয়েকজন অভিযোগ করলেন, প্রভাবশালীরা ধরা পড়েনি।

এসব স্পট ছাড়াও রাজধানীর রায়েরবাজার, বেরীবাঁধ, মহাখালী, উত্তরাসহ বিভিন্ন এলাকার নাম উল্লেখ করে ফেসবুক পেজে বা আইডিতে ইয়াবা বিক্রি হচ্ছে।

অসংখ্য ইয়াবা কেনাবেচা হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগের অনলাইন মাধ্যমে। ইয়াবা বিক্রির এসব আইডিতে বন্ধু তালিকায় আছে বেশিরভাগ কমবয়সী ছেলেমেয়ে। তাদের স্ট্যাটাসগুলোতে প্রেমে ব্যর্থ হওয়ার বিলাপ।

২০১৬ থেকে পোস্ট দেয়া হয়েছে অনেক আইডিতে। ২০১৭ সালের নভেম্বর পর্যন্তও স্ট্যাটাস দিয়েছে কয়েকটি। সেসব স্ট্যাটাসে দেয়া নম্বরে যোগাযোগ করে নিয়ম অনিয়ম টিম। তবে, তারা প্রতিবেদকের কাছে বলেন ভিন্ন কথা।

ডিএমপির সাইবার ক্রাইম বিভাগের এডিসি, নাজমুল হাসান জানান, ডার্ক ওয়েবে আন্তর্জাতিকভাবে বিক্রি হচ্ছে ইয়াবা, মরফিন, কোকেনসহ বিভিন্ন মাদক।

মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরও জানিয়েছে, মাদক অভিযানে সব অপরাধী ধরা পড়েনি। মাদকের করাল থাবা থেকে ইন্টারনেট জগত ও বাস্তব জীবন…দুটোকেই মুক্ত রাখতে চায় মাদকমুক্ত তরুণ সমাজ।