মানিক লাল ঘোষ:

বাংলাদেশের রাজনীতিতে ভারত কোন দৃশ্যমান প্রভাব বিস্তার না করলেও, এই সরকারের আমলে দুই দেশের তিস্তাসহ অমীমাংসিত বিষয়গুলোর সমাধান হলে তার ফল ভোটের রাজনীতিতে আওয়ামী লীগের পক্ষেই যাবে বলে মনে করেন রাজনৈতিক ও কুটনৈতিক বিশ্লেষকরা।

ক্ষমতাসীন বিজেপির আমন্ত্রণে আওয়ামী লীগের ১৯ সদস্যের প্রতিনিধিদল তিন দিন ভারত সফর করেন।
সফরকালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিসহ সরকারের শীর্ষমন্ত্রী ও বিজেপির উচ্চ পর্যায়ের নেতাদের সাথে বৈঠক করে আওয়ামী লীগের প্রতিনিধিরা।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরর নেতৃত্বে সফর শেষে ২৪ এপ্রিল দেশে ফিরেন বাংলাদেশের ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি দল।

দেশে ফিরে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানান আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। বলেন, দেশের রাজনীতিতে বিদেশী শক্তির হস্তক্ষেপ আশা করে না আওয়ামী লীগ। বাংলাদেশের মানুষ সিদ্ধান্ত নেবে কে ক্ষমতায় থাকবে। এটি বাংলাদেশের মানুষ সিদ্ধান্ত নেবে।

রাজনীতিক বিশ্লেষক সুভাস সিংহ মোদি সরকার থাকাকালে তিস্তা চুক্তি হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন। ভারতের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ককে যারা অন্যভাবে দেখতে চায় তা পাকিস্তানপন্থি বলে মনে করেন তিনি।

এদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ড. দেলোয়ার হোসেন মনে করেন বাংলাদেশের রাজনীতিতে ভারতের হস্তক্ষেপ না থাকলেও তিস্তাসহ দুই দেশের অমীমাংসিত সমস্যার সমাধান হলে ভোটের রাজনীতিতে পরোক্ষভাবে লাভবান হবে আওয়ামী লীগ।

তবে ভোটের রাজনীতি ভারত বিদ্বেষীদের মনোভব চিরকাল আওয়ামী লীগের বিপক্ষেই থাকবে বলে মনে করেন তারা। ফলে এদেশের রাজনীতি ভারত বিদ্বেষীদেরও পাল্টে যেতে পারে ধারণা। এর ইতিবাচক ফলে লাভবান হবে আওয়ামী লীগ।