সাইদুর রহমান আবির:

আইন উপেক্ষা করে রাখঢাক না করেই পলিথিন ব্যবহার করছেন ব্যবসায়ীরা, আর আইন আমলে না নিয়েই সচেতন ক্রেতারাও বিক্রেতার কাছে চেয়ে নিচ্ছেন পলিথিন।

ফলে রাস্তা ঘাট, অলি গলি, ডোবা নর্দমা এবং ড্রেন, ফেলে দেয়া পলিথিনে সয়লাব। যাতে করে দূষিত হচ্ছে মাটি,পানি এবং বায়ূ। পলিথিনে ড্রেনের পানির প্রবাহ আটকে গিয়ে সৃষ্টি হয় জলাবদ্ধতা।

আইন কার্যকর না হওয়ায় হতাশা প্রকাশ করার পাশাপাশি সমস্যা সমাধানে বিভিন্ন পরামর্শ দিয়েছেন বিশ্লেষকরা।

ব্যবহারের উপর নিষেধাজ্ঞা থাকলেও রাজধানীতে বসবাস করা একটি পরিবার গড়ে ব্যবহার করছেন চার থেকে পাচটি পলিথিন।এ হিসেবে প্রতিদিন শুধু ঢাকায় ব্যবহৃত হয় দুই কোটিরও বেশি পলিথিন ব্যাগ।

উৎপাদন এবং ব্যবহারের উপর আইনি নিষেধাজ্ঞা থাকলেও সাধারণ মুদি দোকান, বাজার, শপিং সেন্টার, লাইব্রেরী এবং রেষ্টুরেন্টেও ব্যবসায়ীরা ব্যবহার করছেন পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর এই পলিথিন ব্যাগ।

ব্যাবহারের পর ময়লা আবর্জনার সাথে ফেলে দেয়া হচ্ছে বিভিন্ন স্তরে, সয়লাব হয়ে যাচ্ছে পুরো এলাকা। অন্যান্য ময়লা আবর্জনা ধ্বংশ হলেও , ধ্বংশ হচ্ছেনা ক্ষতিকর এই পলিথিন। আর যে কারনেই দূষিত হচ্ছে মাটি, পানি এবং বায়ূ।

পলিথিন ব্যবহারের ক্ষতিকর প্রভাবের দিক তুলে ধরলেন এই পরিবেশবিদ। ২০০২ সালে ঢাকায় এবং একই বছরের ৮ এপ্রিল সারাদেশে পলিথিন উৎপাদন এবং ব্যবহারের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে সরকার। এমন আইন অমান্যকারীদেও জন্য সর্বোচ্চ দুই বছরের সশ্রম কারাদন্ড এবং রাখা হয় দুই লাখ টাকা জড়িমানার বিধান ।

তবে প্রয়োজনের তাগিদে সামান্য পরিমাণ ব্যবহার করতে হলেও সে বিষয়েও ব্যবহারের উপর পরামর্শ দেন বিশ্লেষকরা।

রিপোর্টার: সাইদুর রহমান আবির