প্যাট্রিক ডি’কস্তা:

আইন আছে, বিধি আছে, প্রতিষ্ঠানও আছে তবে তদারকির অভাবে সাধারণ মানুষকে টাকা দিয়ে নিম্নমানের  পণ্য নিতে হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আইন প্রয়োগে কঠোরতা জনগণকে মানসম্মত পণ্য নিশ্চিত করতে পারে। আর ভোক্তা অধিকার কর্তৃপক্ষ বলছে জনস্বার্থ সুরক্ষা যাদের দায়িত্ব তাদের হতে হবে তড়িৎকর্মা।

অবসরে আড্ডা বাঙালী সংস্কৃতির অংশ। এই আড্ডার সঙ্গেই হয়ে যায় এক কাপ চা। যা মন ও শরীরকে করে চাঙ্গা। অথচ চা পাতাসহ চা তৈরির সব উপকরণ বিএসটিআই অনুমোদনের তালিকায় চিনি, কনডেন্স মিল্ক।

এদের মতোই জাতীয় মান নিয়ন্ত্রণ সংস্থা বিএসটিআই-এর উপর সবাই আস্থা রাখতে চায়। তবে সব সময় তা হওয়া উচিৎ নয় বলেও মনে করেন সাধারণ মানুষ।

অধিকাংশ খাদ্য ও প্রসাধন সামগ্রীসহ নিত্য প্রয়োজনীয় ১৫৪ টি পণ্যের বিএসটিআই সনদ নেয়া বাধ্যতামূলক। তবে এই আইন মানা হচ্ছে কম।

পাশাপাশি নকল পণ্যে আসল চেনা কষ্টকর হয়ে যাচ্ছে। অনিশ্চয়তার মধ্যেই এসব মানহীন পণ্য চড়া মূল্যে কিনতে বাধ্য হচ্ছে সাধারণ মানুষ। নানাভাবে অভিযোগ করেও ফল পাচ্ছে না।

বিশ্লেষক: প্যাট্রিক ডি’কস্তা

মানহীন পণ্য নিরুপায় হয়ে ব্যবহার করছেন সাধারণ মানুষ। আর তা করতে গিয়ে আক্রান্ত হচ্ছেন স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদী নানা অসুখ-বিসুখ ও স্বাস্থ্য সমস্যায়।

দেশের বাজারে সহস্রাধিক খাদ্যপণ্য বিক্রি হলেও বিএসটিআই মান পরীক্ষা করছে মাত্র ৫৯টির। এই পণ্যগুলোও বিক্রি হচ্ছে উৎপাদনের তারিখহীন, মানহীন ও কম ওজনে।