আগুন পোহাতে গিয়ে দগ্ধ শিশুরা কেমন আছে?

0
105

মাহবুব সৈকত : শীতে কিছুটা উষ্ণতা পেতে আগুন পোহানো গ্রামীন জনপদের চিরায়িত দৃশ্য। যেখানে গ্যাস রয়েছে সেখানে চুলা জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চলে চেষ্টা। আবার অনেকেই গোসল কিংবা হাত-পা পরিচ্ছন্ন করতে গরম পানি ব্যবহার করেন শীত থেকে বাঁচতে। কিন্তুু এসব করতে গিয়ে ঘটছে বড় ধরনের দূর্ঘটনা। আগুনে পুড়ে এরই মধ্যে মারাও গেছে বেশ কয়েকজন, আর দগ্ধ – ঝলসানো অবস্থায় হাসপাতালগুলোতে ভর্তিও হচ্ছেন অনেকে। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিশু রয়েছে। রাজধানীর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন এবং প্লাস্টিক সার্জারী ইনিস্টিটিউটে ভর্তি হওয়া এ সব শিশুদের কষ্টের কথা উঠে এসেছে মাইটিভির ক্যামেরায়।

এবার স্মরনাতীত কালের সর্ব নিন্ম তাপমাত্রায় বিপর্যস্ত হয়েছে দেশ। বস্ত্রের অভাবে হাড়কাঁপা শীতে মারাত্মক কষ্টে দিনযাপন করেছেন নিন্ম আয়ের মানুষ। সব শ্রেনীর মানুষই, উষ্ণতা পেতে আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণ, কিংবা খাবার পানি অথবা অযু-গোসলে গরম পানি ব্যবহার করে থাকেন ।

আর এতেই ঘটছে বিপত্ত্বি ,আগুনে পুড়ে দগ্ধ হচ্ছে অসংখ্য মানুষ। বিভিন্ন হাসপাতালে ঠাই হয়েছে আহতদের। দূর্ভাগা এই মানুষদের অনেকেই ভর্তি হয়েছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সংলগ্ন জাতীয় বার্ন এবং প্লাস্টিক সার্জারী ইনিস্টিটিউটে ।

হাসপাতালের বিছানায় দগ্ধ হওয়া এই শিশুদের দেখে অযান্তেই ঝরে চোখের পানি । শুধু গ্রামাঞ্চলেই নয়, শহরাঞ্চলেও গ্যাসের চুলার মাধ্যমে ঘটছে এ ধরনের দূর্ঘটনা।

অতি উৎসাহিত হয়ে অনেকেই ছোটদের অনুমতি দেন রান্ন – বান্নার কাজে সহায়তা করতে, কিন্তুু কখনো কি ভাবেন বিপদের কথা। যে পানি গরম করা হয়েছিলো ঠান্ডার কষ্ট কমানোর জন্যে, সে পানিই কষ্টকে যে আরো শত গুনে বাড়িয়ে দিবে কে তা জানতো।

আগুনে পোড়া কিম্বা গরম পানিতে ঝলসে যাওয়াদের চিকিৎসা সময় সাপেক্ষ এবং ব্যায় সাধ্যও। পরিবারের কোন সদস্য পুড়ে কিম্বা ঝলসে গেলে কি করতে হবে তা জানিয়েছেন বার্ন এবং প্লাস্টিক সার্জারী ইনিস্টিটিউটের সমন্বয়কারী ডা সামন্ত লাল সেন।

সাবরই প্রত্যাশা, এ ধরনের অনাকাংকিত দূর্ঘটনা বন্ধ হোক এক্ষুনি।