আদালতের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার হলেও ১৫ মে গাজীপুরের নির্বাচন সম্ভব নয়: ইসি

0
105

গাজীপুর সিটি নির্বাচন নিয়ে আদালতের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার হলেও ১৫ মে নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব নয় বলে মনে করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা। তিনি আজ সকালে গাজীপুরে তার পূর্ব নির্ধারিত তারিখে পরিবর্তিত কর্মসূচী পালন শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এমন মন্তব্য করেন।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ সময় আরো বলেন, আমি বিষয়টি নিয়ে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, রিটার্নিং কমর্কর্তার সাথে কথা বলেছি, তাদের সকলের বক্তব্য শুনে মনে হয়েছে ১৫ মে নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব নয়। কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, প্রিসাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিসাইডিং অফিসারসহ প্রায় সাড়ে ৮ হাজার নির্বানী কর্মকর্তার প্রশিক্ষণ, বিভিন্ন জেলা থেকে ম্যাজিস্ট্রেট, বিভিন্ন জেলা থেকে এনে প্রায় ১১ হাজার পুলিশ ফোর্স নিয়োগসহ কিছু কাজ সম্পন্ন করতে সময়ের প্রয়োজন হবে। তাই আপীলে আদালত স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করলে নির্বাচনের তারিখ পিছিয়ে দেয়া হবে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি ঢাকা উত্তর ও গাজীপুর সিটি নির্বাচন স্থগিত হয়ে যাওয়াকে কমিশনের ব্যর্থতা হিসাবে মানতে নারাজ। আবার আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন কোন আইনী জটিলতায় পড়বে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সেটি নির্ধারিত ৯০ দিনের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে, তাই সে নির্বাচন নিয়ে কোন জটিলতা হবে না।

গাজীপুর সিটি নির্বাচন উপলক্ষে আজ প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সাথে প্রার্থী, বিভিন্ন আইন শৃংখলা বাহিনীসহ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময়ের কর্মসূচী আগেই নির্ধারিত ছিল। আদালতের নির্দেশে নির্বাচন স্থগিত হয়ে যাওয়ায় তিনি সে কর্মসূচী বাতিল করে দেন। তবে নির্ধারিত দিনে গত মঙ্গলবার রাতে তিনি গাজীপুরে আসেন। সার্কিট হাউজে রাত্রী যাপন করে সকালে জেলা নির্বাচন অফিস পরিদর্শন, সার্ভার স্টেশন, স্মার্ট কার্ড নিয়ে জেলা ও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করার কর্মসূচীতে অংশ নেন।

এসময় জেলা প্রশাসক ড. দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ুন কবির, আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা রকিব উদ্দিন মন্ডল, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মাহমুদ হাসান ও খন্দকার ইযাসির আরেফির, জেলা নির্বাচন তারিফুজ্জামানসহ জেলা উর্ধ¦তন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।