আদা শরীরের উপকার করলেও চার অবস্থায় ক্ষতিকারক

0
104

রান্নায় আদার ব্যবহার স্বাদে অন্য মাত্রা দেয়। এ কথা যেমন ঠিক, তেমনি আবার আদার রয়েছে বেশ কিছু ঔষধি গুণাগুণও। ঠান্ডা লেগে গলা খুসখুস, কাশি, আর্থারাইটিস, বমি ভাব এক টুকরো আদা মুখে রাখলে বেশ ভাল ফল পাওয়া যায়।

তবে কথায় বলে, সব কিছুরই একটা খারাপ দিক রয়েছে। তেমনই, আদা বেশি পরিমাণে খেলে, বা ‘বেঠিক’ সময়ে খেলে তা স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে। বেঠিক বলতে, শরীরের বিশেষ বিশেষ অবস্থার সময়ে আদা না খাওয়াই উচিত।

সংক্ষেপে দেখা নেওয়া যাক, কী সেই চারটি শারীরীক অবস্থা

রক্তের সমস্যা

শরীরে রক্ত চলাচলে সাহায্য করে আদা। ফলে, যাঁদের ওজন বেশি ও ডায়াবেটিস রয়েছে, তাঁদের জন্য আদা উপকারী। কিন্তু, যাঁদের হিমোফিলিয়া রয়েছে, তাঁদের জন্য আদা প্রায় বিষের সমান।

ওজনের সমস্যা

এমনিতেই যদি শরীরের ওজন কম হয়, সে ক্ষেত্রে আদার ব্যবহার খুবই কম করা উচিত। কারণ, আদায় ফাইবার থাকে প্রচুর পরিমাণে, যা শরীরের পিএইচ লেভেল বাড়াতে সাহায্য করে। এর ফলে হজমের প্রক্রিয়া খুবই ভাল হয়। ওজন বাড়াতে চাইলে আদা বাধ সাধে।

অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায়

আদায় বেশ কয়েক ধরনের স্টিম্যুলেট রয়েছে যা শরীরের পেশী মজবুত করে। তাই অন্তঃসত্ত্বা থাকাকালীন নারীদের আদা না খাওয়াই ভাল। বিশেষ করে প্রসবের আগের তিন মাস।

বিশেষ ধরনের ওষুধ সেবনের সময় 

যাঁরা ডায়াবেটিস বা ব্লাড প্রেসারের ওষুধ খান, তাঁদের জন্য আদা বেশ ক্ষতিকারক। কারণ, এই দুই অসুখের জন্য যে ওষুধ ব্যবহৃত হয়, তার সঙ্গে আদার রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটলে স্বাস্থ্যের ক্ষতিই হয়। যদিও, রক্তের ঘনত্ব নিয়ন্ত্রণে রাখে আদা। যার ফলে রক্তের চাপও কম থাকে।