আবর্জনার স্তুপ কি তাজমহলকে ছাড়িয়ে যাবে ?

0
219

মুবাল্লিগ করিম : পৃথিবীর সপ্তম আশ্চর্যের অন্যতম তাজমহল। সম্প্রতি তাজমহলের সঙ্গে তুলনা চলছে দিল্লির গাজিপুরের এক পাহাড়ের। ভাবছেন দিল্লিতে গাজিপুরে আবার পাহাড় কোথায়, যা তাজমহলের সঙ্গে তুলনায় আসছে? আছে। গাজিপুরের সেই পাহাড়কে গারবেজ মাউন্টেন নামে ডাকা হয়। ২০২০-র মধ্যে তাজমহলের উচ্চতাকেও টপকে যাবে গাজিপুরের জঞ্জালের পাহাড়।

প্রেমের সৌধ বলে খ্যাত তাজমহলের বিস্ময়-স্থাপত্য ভারতের জন্য গর্বের, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। কিন্তু স¤প্রতি তাজমহলের সঙ্গে তুলনা চলছে দিল্লির গাজিপুরের এক পাহাড়ের। গেন পাহাড় আর কিছুর নয় বরং জঞ্জালের পাহাড়। তাকে তুলনা করা হচ্ছে সপ্তম আশ্চর্যের তাজমহলের সঙ্গে। কারন উচ্চতায় ২০২০-র মধ্যে তাজমহলের উচ্চতাকেও টপকে যাবে গাজিপুরের এই গারবেজ মাউন্টেন।

সা¤প্রতিক সমীক্ষা থেকে জানা গিয়েছে যে, গাজিপুরের এই আবর্জনার পাহাড় আর কিছুদিনের মধ্যেই তাজমহলের থেকে বড় হয়ে যাবে। এতই বড় এই আবর্জনার স্ত’প, যা প্রায় ৪০টির মত ফুটবল মাঠের জায়গা নিয়ে বিরাজমান। এটি এর মধ্যেই ৬৫ মিটার উচ্চতা নিয়ে দাঁড়িয়েছে।

১৯৮৪ সাল থেকে ২০০২ সালের মধ্যে নিজের ক্ষমতার বেশি জঞ্জাল জমে জমে আজকের এই পাহাড়। এখনও প্রতিদিন সারাশহরের অসংখ্য নোংরা ফেলার ট্রাক এসে এই আবর্জনার স্তুপের কায়া বৃদ্ধি করে চলেছে। দিল্লির মিউনিসিপল অফিস সূত্রে জানা গিয়েছে যে, প্রতিদিন গাজিপুরে ২ হাজার টনের মত নোংরা ফেলা হয়। গাজিপুরের এই আবর্জনা থেকে মাটির ভেতরের জলও যেমন দূষিত হচ্ছে, তেমনই নিয়মিত এই স্তুপ থেকে নির্গত ভয়ঙ্কর বিষাক্ত ধোঁয়া আশপাশের এলাকার অধিবাসীদের জীবন দুর্বিষহ করে তুলছে। এমনকী স্তূপের নীচে চাপা পড়ে মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে। এই

এই জঞ্জাল-দৈত্যের হাত থেকে মুক্তি পাওয়া কীভাবে সম্ভব? পরিবেশবিদরা বলছেন, সচেতনতাই এই ভয়ঙ্কর ভবিষ্যৎ থেকে মুক্তি দিতে পারে। একমাত্র মানুষ পৃথিবীতে এই আবর্জনা সৃষ্টি এবং ছড়ানোর জন্য দায়ী। তাই মানুষকেই পরিবেশ থেকে এই আবর্জনা অপসারণে মুখ্যভূমিকা নিতে হবে। দ্রæত পুরনো চটের ব্যাগে ফিরতে হবে। ফিরতে হবে মাটির বা গাছের পাতা বা কাগজের তৈরি ব্যবহারিক জিনিসে।