আমি সম্পূর্ণ নির্দোষ, আদালতের কাছে ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করছি আত্মপক্ষ সমর্থনে বললেন সাহেদ

0
242

অস্ত্র আইনে করা মামলায় নিজেকে সম্পূর্ণ নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করেছেন রিজেন্ট গ্রুপ ও হাসপাতালের চেয়ারম্যান সাহেদ করিম।

বুধবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশের আদালতে আত্মপক্ষ সমর্থনে এ দাবি করেন তিনি। এসময় আদালত রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তি উপস্থাপনের জন্য বৃহস্পতিবার দিন ধার্য করেন।

এ সময় আদালত সাহেদকে জিজ্ঞাসা করেন, তিনি সাফাই সাক্ষী দেবেন কি-না। উত্তরে সাহেদ বলেন, ‘আমি সাফাই সাক্ষী দেব না।’ এসময় আদালত বলেন, ‘আপনি দোষী না নির্দোষ?’ উত্তরে তিনি নিজেকে সম্পূর্ণ নির্দোষ দাবি করে আদালতের কাছে ‘ন্যায়বিচার’ প্রত্যাশা করেন।

আত্মপক্ষ সমর্থনে সাহেদ বলেন, ‘আমার কাছে থেকে কোনো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়নি। আমি সম্পূর্ণ নির্দোষ। আমি আদালতের কাছে ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করছি।’

এদিকে, গতকাল মঙ্গলবার সাহেদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে। এসময় আদালত বুধবার আসামির আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য দিন ধার্য করেন। এ মামলায় মোট ১৪ সাক্ষীর মধ্যে ১১ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত।

গত ২৭ আগস্ট সাহেদের অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে দিয়ে সাহেদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। পরে আদালত সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ১০ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেন। ১৯ আগস্ট মামলাটি আমলে নিয়ে অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য ২৭ আগস্ট দিন ধার্য করেন আদালত। গত ১৩ আগস্ট ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম জুলফিকার হায়াত মামলার অভিযোগপত্রে স্বাক্ষর করেন। এরপর মামলার নথি বিচারের জন্য মহানগর দায়রা জজ আদালতে বদলি করেন।

উল্লেখ্য, করোনায় নানা প্রতারণার অভিযোগে গত ১৫ জুলাই সাতক্ষীরার সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে সাহেদকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। পরে হেলিকপ্টারে করে তাকে ঢাকায় আনা হয়। পরদিন করোনা পরীক্ষার নামে ভুয়া রিপোর্টসহ বিভিন্ন প্রতারণার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সাহেদের ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

এরপর তাকে নিয়ে উত্তরায় অভিযানে যায় ডিবি পুলিশ। অভিযানে গিয়ে অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় ডিবি পুলিশের পরিদর্শক এস এম গাফফারুল আলম তার বিরুদ্ধে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করেন। ৩০ জুলাই ঢাকা মহানগর হাকিম মোর্শেদ আল মামুন ভূঁইয়ার আদালতে আসামি সাহেদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক মো. শায়রুল। ২৭ আগস্ট ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন।