আশুগঞ্জের লালপুরের শুটকির খ্যাতি এখন বিশ্বজুড়ে

0
97

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ মেঘনা নদীর পাড়ে লালপুরে শুটকির খ্যাতি এখন বিশ্বজুড়ে। দেশের বিভিন্ন এলাকার ভোজন রসিকদের চাহিদা পূরণ করে এখানকার শুটকি রপ্তানি হচ্ছে বিদেশেও।

দেশী প্রজাতির মাছ থেকে এ শুটকি উৎপাদন করায় এর স্বাদ হয় আলাদা। এ শিল্পটি আরও এগিয়ে নিতে সহজ শর্তে ব্যাংক ঋণ দেয়ার দাবি জানিয়েছেন শুটকি উৎপাদনকারীরা।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার লালপুরে মেঘনা নদীর পাড়ে পুরোদমে শুরু হয়েছে শুটকি প্রক্রিয়াজাত করণের কাজ। নদী থেকে মাছ ধরে এনে রোদে শুকিয়ে তৈরি করা হয় সুস্বাদু শুটকি। আর এসব শুটকি দেশের চাহিদা পূরণ করে পাঠানো হয় বিদেশে।

লালপুরে শুটকির পসরা

ভারত, নেপাল, সৌদি আরব, আমেরিকা, যুক্তরাজ্যসহ কয়েকটি দেশে রপ্তানী হয় এখানে উৎপাদিত শুটকি। বিদেশে এই শুটকির কদরও রয়েছে অনেক। সব মিলিয়ে বছরে প্রায় শত কোটি টাকার শুটকি এই মেঘনার পাড় থেকে সরবরাহ করা হয়।

তবে এখানে শুটকি উৎপাদনকারীরা পাচ্ছেনা কোন সরকারী পৃষ্টপোষকতা। স্থানীয় আড়তদার বা মহাজনদের নিকট থেকে চড়া সুদে দাদন হিসাবে তাদের পুঁজি সংগ্রহ করতে হয়। তাই কম সুদে জামানতবিহীন ব্যাংক ঋণ প্রদান করা হলে শুটকি উৎপাদন দ্বিগুন হতো এবং এসব প্রান্তিক উৎপাদনকারীদের ভাগ্যের পরিবর্তন আসতো বলে জানান শুটকি উৎপাদনকারীরা।

কৃষি ব্যাংক লালপুর শাখার ম্যানাজার শেখ শাহিন মোহাম্মদ জানান, ব্যাংক নিয়মানুসারে তারা শুটকি উৎপাদনকারীদের ঋণ প্রদান করছে। তবে জামানতবিহীন ঋণের কোন নির্দেশনা তাদের কাছে নেই বলেও জানান তিনি।

তবে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা রওনক জাহান জানান, সহজ শর্তে ঋণ দেওয়া ব্যাপাওে কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। এছাড়া তাদেও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে এই কর্মকর্তা। কম সুদে জামানতবিহীন ব্যাংক ঋণ প্রদান ও সরকারি ভাবে সহযোগিতার করার দাবি জানিয়েছে এখানকার শুটকি উৎপাদনকারীদের।