ইউএফও খুঁজতে গোপন কর্মসূচি চালিয়েছিল পেন্টাগন

0
120

এলিয়েনের বাহন আনআইডেন্টিফাইড ফ্লাইং অবজেক্ট (ইউএফও) নিয়ে তদন্তে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় পেন্টাগন কোটি কোটি ডলারের গোপন কর্মসূচি পরিচালনা করছে বলে খবর দিয়েছে দেশটির গণমাধ্যম।
প্রকাশিত খবর অনুযায়ী ২০০৭ সালে শুরু করা কর্মসূচিটি ২০১২ সাল পর্যন্ত চলেছে বলে জানিয়েছে বিবিসি।

পেন্টাগনের কর্মকর্তাদের মধ্যে শুধুমাত্র অল্প কয়েকজন এ কর্মসূচির বিষয়ে জানতেন।

ওই অভিযানের নথিগুলোতে অদ্ভুত দ্রুতগতিসম্পন্ন আকাশযান ও শূন্যে ভাসতে থাকা বস্তুর কথা বলা হয়েছে বলে জানিয়েছে নিউ ইয়র্ক টাইমস।

কিন্তু এসব বর্ণনা নিয়ে বিজ্ঞানীরা সন্দিহান; তাদের বক্তব্য, ওই অব্যাখ্যাত ঘটনাগুলো বর্হিবিশ্বের প্রাণের প্রমাণ দেয় না।

দ্য অ্যাডভান্স এয়ারোস্পেস থিয়েটার আইডেন্টিফিকেশন প্রোগ্রাম নামের ওই কর্মসূচির বিষয়ে এক কোটি ৩০ লাখ পৃষ্ঠার গোপন নথি প্রকাশ করেছে সিআইএ।

কর্মসূচিটি অবসরে যাওয়া ডেমোক্রেট সিনেটর হ্যারি রিডের মস্তিষ্কপ্রসূত। ওই কর্মসূচি শুরুর সময় রিড যুক্তরাষ্ট্র সিনেটের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশের নেতা ছিলেন।

নিউ ইয়র্ক টাইমসকে তিনি বলেছেন, “এই কর্মসূচি চলতে দেওয়ার কারণে আমি বিব্রত, লজ্জিত বা দুঃখিত না। আমি এমন কিছু করেছি যা আগে কেউ করেনি।”

প্রতিবেদন অনুযায়ী এই কর্মসূচি চালাতে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়কে দুই কোটি ডলারেরও বেশি অর্থ ব্যয় করতে হয়েছে, পরে খরচ বাঁচাতে কর্মসূচিটি বন্ধ করে দেওয়া হয়।

২০১২ সালে তহবিলের যোগান বন্ধ হলেও কর্মকর্তারা তাদের দৈনন্দিন দায়িত্বের পাশাপাশি বায়ুমণ্ডলে ঘটা অস্বাভাবিক প্রপঞ্চ ও সন্দেহজনক বস্তু সম্পর্কে তদন্ত অব্যাহত রেখেছিলেন বলে জানা গেছে।

যুক্তরাষ্ট্র কংগ্রেসের সাবেক এক কর্মী পলিটিকোকে জানিয়েছেন, ওই কর্মসূচিটি সম্ভবত প্রতিদ্বন্দ্বী বিদেশি শক্তিগুলোর প্রাযুক্তিক অগ্রগতি পর্যবেক্ষণের জন্য চালু করা হয়েছিল।

তারা বলেছে,“এটা কি চীন অথবা রাশিয়া কিছু করার চেষ্টা করছে না কিছু প্রপালশন সিস্টেম যার সম্পর্কে আমাদের কোনো ধারণা নাই?”

চলতি বছরের প্রথমদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি (সিআইএ) অনলাইনে লাখ লাখ গোপন নথি প্রকাশ করেছিল। ওই নথিগুলোর মধ্যে ইউএফও দেখার কথা ও ফ্লাইং সসার নিয়ে প্রতিবেদনের সংগ্রহও ছিল।