ইউরোপের পাওয়ার ফুটবলের কাছে শৈল্পিক লাতিন ফুটবলের পরাজয়ের গল্প

0
64

শাকিল কালাম : রাশিয়া বিশ্বকাপের শুরু থেকেই আধিপত্য ইউরোপিয়ান দলগুলোর। লাতিন ফুটবল পরাশক্তি ছিটকে পড়ে ইউরোপের পাওয়ার ফুটবলারদের দাপটে।

২০১৮ সালের আগে ১৯৩৪, ৬৬, ৮২ আর ২০০৬-এর বিশ্বকাপেও হয়েছিলো অল-ইউরোপিয়ান সেমিফাইনাল। বিশ্ব আসরে লাতিন পরাশক্তিকে পরাস্ত করে ধীরে ধীরে এগিয়ে যায় ইউরোপিয়ান ফুটবল।

রাশিয়া বিশ্বকাপে পাওয়ার ফুটবলের জয়-জয়কার। লাতিন ফুটবল শৈলিকে পরাস্ত করে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে খেলে ইউরোপের চার দল। বিশ্বকাপ ইতিহাসে এ নিয়ে পঞ্চমবারের মতো হলো অল-ইউরোপিয়ান সেমিফাইনাল। নান্দনিক লাতিন ফুটবল পরাশক্তিদের বিদায় করে মুখোমুখি হয় ইউরোপের পাওয়ার হাউজগুলো।

ইউরোপের ফুটবল মানেই শক্তি, আর ক্ষিপ্রগতির মেলবন্ধন। আর লাতিন আমেরিকার ফুটবলে থাকে শিল্প, স্কিলের ফুলঝুরি আর দুর্দান্ত ড্রিবলিং।

যদিও রাশিয়াতে ইউরোপিয়ান পাওয়ার ফুটবলের সঙ্গে দেখা গেছে ড্রিবলিং দক্ষতাও। এডেন হ্যাজার্ড, লুকাকু, এমবাপ্পে এবং হ্যারি কেনরা দুর্দান্ত গতির সঙ্গে ড্রিবলিং ও শক্তির মিশেলে অবলীলায় পরাস্ত করেছেন আর্জেন্টিনা-ব্রাজিলের মত প্রতিপক্ষকে।

এর আগে চারবার অল-ইউরোপ সেমিফাইনাল দেখেছে ফুটবল বিশ্ব। ১৯৩৪ সালে সেমিফাইনাল খেলেছিল ইটালি, জার্মানি, অস্ট্রিয়া ও চোকোস্লোভাকিয়া। ১৯৬৬ সালে ইংল্যান্ড বিশ্বকাপে একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটে। সেবার সেমিতে খেলেছিল ইটালি, জার্মানি, পর্তুগাল ও সোভিয়েত ইউনিয়ন।

১৯৮২ সালেও হয় অল-ইউরোপিয়ান সেমিফাইনাল। সেবার শেষ চারের লড়াইয়ে ছিল ইতালি, জার্মানি, ফ্রান্স ও পোল্যান্ড।
রাশিয়া বিশ্বকাপের আগে অল-ইউরোপ সেমিফাইনাল হয়েছিল ২০০৬ সালে। সেবারে শেষ চারে খেলেছে ইটালি, ফ্রান্স, জার্মানি ও পর্তুগাল।
তবে রাশিয়া বিশ্বকাপের ইউরোপিয়ান ফুটবরের আধিপত্যটা গতবারগুলোর চেয়ে ভিন্ন। পরিশ্রম আর পারফরমেন্স দিয়ে বড় দলের প্রাধান্য খর্ব করে উঠে এসেছে ছোট দলগুলো।