আবু সাঈদ অপু :

রাজধানীর অলি-গলি ছাপিয়ে বস্তুটি এখন পৌঁছে গেছে মফস্বলের তরুণ-তরুণীদের কাছে। হ্যাঁ, দর্শক, বলছি ইয়াবার কথা। মরণনেশা ইয়াবার কারণে এই প্রজন্ম যেমন হারাচ্ছে মেধাশক্তি, তেমনি শিথিল হচ্ছে পারিবারিক বন্ধনও। প্রশাসনের নজর এড়াতেই সেবনকারীরা ইয়াবার ছদ্মনাম হিসেবে ব্যবহার করছে টাকা শব্দটি।

ইয়াবা। গোলাকার ট্যাবলেট। উঠতি বয়সের তরুন-তরুনীদের একটি অংশের কাছে অপরিহার্য এটি। সূর্যের আলো উধাও হলে নগরী জুড়ে নামে অন্ধকার। তখন ইয়াবা আসক্তরা সাদা ধোঁয়ায় নিজেকে ভাসিয়ে দেন ক্ষণস্থায়ী সুখে।

ইয়াবা আসক্তদের তৈরী হয় নিজস্ব গন্ডি। বিছিন্ন হয়ে পড়ে পারিবারিক বন্ধন থেকেও। এভাবে সমাজে তৈরী হয় অসংখ্য ঐশি। এগুলো পুরোনো কথা। নতুন খবর হলো ইয়াবা এখন ছড়িয়ে পড়েছে মফস্বল শহরগুলোতেও।

এমন বাস্তবতার অনুসন্ধানে নামে ঘটনার অন্তরালে টিম। কথা হয় ক’জন ইয়াবা প্রেমীর সাথে। ইয়াবায় আসক্তরা জানান, নেশার টাকা জোগাড় করতে অনেকে জগিয়ে পরে অপকর্মে।

আসক্তির এই ভয়াবহতাকে কিভাবে দেখছেন অভিভাবকরা।

বাজারে এখন পাওয়া যাচ্ছে ভূলা ইয়াবা ট্যাবলেটও। মাত্র ১০ টাকার ব্যাথা নাশক ট্যাবলেটকে ইয়াবা বানিয়ে একটি চক্র হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ-লাখ টাকা। পরিচয় গোপন করার শর্তে কথা হয় সেই ব্যবসায়ীর সাথে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রচেষ্টায় প্রতিনিয়ত ইয়াবার বাহকরা ধরা পড়লেও তা নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না।
আর বিশিষ্টজনরা তাগিদ দিলেন ইয়বা নিয়ন্ত্রণে আন্ত:মন্ত্রনালয় সংক্রান্ত কমিটি গঠনের।