ঈদকে টার্গেট করেই নীলফামারীতে গড়ে উঠেছে অর্ধশতাধিক অবৈধ সেমাই কারখানা

0
57

আজিজুল ইসলাম বুলু : রোজা আসলেই ঈদকে টার্গেট করে মৌসুমি সেমাই কারাখনা মালিকরা তৎপর হয়ে ওঠে। স্বাস্থ্য বিভাগের কোন রকম নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে প্রশাসনের নাকে ডগায় ভর করে নীলফামারীর প্রায় অর্ধশতাধিক সেমাই কারখানা চলছে অবাধে। আর অস্বাস্থ্যকর পরিবেশতো রয়েছেই। নীলফামারী প্রতিনিধি আজিজুল ইসলাম বুলুর পাঠানো রির্পোটে সেই কথাই তুলে ধরছেন রাজিয়া সুলতানা স্মৃতি।

ঈদকে টার্গেট করে প্রতি বছরের মত এবারও নীলফামারীর সৈয়দপুরে নামে-বেনামে গড়ে উঠেছে অর্ধশতাধিক সেমাই কারখানা।

এসব কারখানায় নিজস্ব ল্যাবটরী নেই, কর্মরত শ্রমিকদের নেই হেলথ সার্টিফিকেট। শুধু তাই নয়, নিম্নমানের পোড়া তেল আর পোড়া মবিলে মুখরোচক এসব লাচ্ছা সেমাই ভেজে প্যাকেটজাত করে বাজারজাত করা হচ্ছে।
হাতে তৈরী এসব সেমাই কতটুকু স্বাস্থ্য সম্মত?

সৈয়দপুরের বেশ কয়েকটি কারখানায় এভাবেই ঘর্মাক্ত শরীরে অপরিচ্ছন্নভাবে প্রস্তুত করা হচ্ছে সেমাই। শ্রমিকরাও অকপটে স্বীকার করলেন নোংরা পরিবেশের কথা।

এত কিছুর পরেও দারসারা বক্তব্য ছিলো মাঠ পর্যায়ে নিয়োজিত থাকা স্বাস্থ্য বিভাগের এই কর্মকর্তার। সিংক
চিকিৎসকরা বলছেন, এসব অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরীকৃত সেমাই মানবদেহের জন্য মারাত্বক ক্ষতিকর।

আর তাই প্রশাসনের কঠোর নজরদারি বাড়ানোসহ এসব ভেজাল কারখানা বন্ধে পদক্ষেপ নেবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এমনটাই প্রত্যাশা সচেতন মহলের।