তীব্র ভাঙনের আশংকায় ৩ টি প্রধান নদীর ২২ টি পয়েন্টে

0
113

এ বছর দেশের ৩ টি প্রধান নদীর ২২ টি পয়েন্টে তীব্র ভাঙনের আশংকা রয়েছে, সরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান CEGIS এই পূর্বাভাস দিয়েছে।

উজানে ভারত থেকে নেমে আসা ঢলের পানিতে রাত থেকে লালমনিরহাটে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদ সীমার ১২ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে প্লাবিত হয়েছে নতুন নতুন এলাকা। পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন জেলার ১৫টি ইউনিয়নের ৪০টি গ্রামের অর্ধ লক্ষাধিক মানুষ।

এদিকে, বৃষ্টির পানিতে কুড়িগ্রামে ধরলা নদীর পানি সেতু পয়েন্টে বিপদসীমার ২৮ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে কুড়িগ্রাম সদর ও ফুলবাড়ী উপজেলায় ধরলা নদী অববাহিকার চরাঞ্চলের অন্তত ২৫টি গ্রাম প্লাবিত হয়ে পড়ে।

ধ্বসে যাওয়ার হুমকীতে পড়েছে আদিতমারী উপজেলার মহিষখোচা গোবর্ধন স্পার বাঁধটি। আর এটি ধ্বসে গেলে বানভাসি হয়ে পড়বেন, উজানের দশ হাজারের বেশী পরিবারের লোকজন। ধরলাসহ অন্য সকল ছোট নদীর পানিও বেড়েই চলেছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড বলছে, বাঁধটি রক্ষায় তাদের প্রস্তুতি রয়েছে।

এদিকে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢল ও বৃষ্টির পানিতে কুড়িগ্রামে ধরলা নদীর পানি সেতু পয়েন্টে বিপদসীমার ২৮ সেন্টিামিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে কুড়িগ্রাম সদর ও ফুলবাড়ী উপজেলায় ধরলা নদীর অববাহিকার চরাঞ্চলের প্রায় ২৫টি গ্রাম প্লাবিত হয়ে পড়েছে। এসব এলাকার ঘরবাড়িতে পানি প্রবেশ করায় পানিবন্দী হয়ে পড়েছে প্রায় ২০ হাজার মানুষ। তলিয়ে গেছে বিভিন্ন সবজি ক্ষেত। এসব এলাকার কাঁচা সড়ক তলিয়ে থাকায় ভেঙ্গে পড়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থা। স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, গত ২৪ ঘন্টায় সেতু পয়েন্টে ধরলা নদীর পানি ৪৬ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ২৮ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রাবাহিত হচ্ছে। বেড়েছে ব্রহ্মপুত্র, তিস্তাসহ অন্যান্য নদ-নদীর পানিও।