উন্নত বিশ্বের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছে বাংলাদেশের জাহাজ শিল্প

0
162

মাহবুব সৈকত :

অবারিত সম্ভাবনাময় এক শিল্পের নাম জাহাজ নির্মান শিল্প। এরই মধ্যে উন্নত বিশ্বের দেশগুলোর দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছে বাংলাদেশের জাহাজ শিল্প, ফলে চাহিদা আছে সবসময়ই। বিশ্লেষকরা বলছেন, যথাযথ পৃষ্টপোষকতা পেলে এই শিল্পই হতে পারে বৈদেশিক মূদ্রা অর্জনের অন্যতম প্রধান খাত। এর সাথে কর্মসংস্থান তৈরীর বিষয়টিতো রয়েছেই।

রাজধানীর অদুরে বুড়িগঙ্গার তীরে কেরানীগঞ্জের এই জাহাজ নির্মান শিল্পের ইতিহাস দীর্ঘ দিনের। তৈরী হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের নৌযান। জাহাজ শিল্পের সাথে পড়াশুনা জানা সুশিক্ষিত জনবল থাকলেও শ্রমিক শ্রেনীর প্রায় সবাই হাতে কলমে প্রশিক্ষিত। কাজ করতে করতেই শিখেছেন তারা।

তবে প্রয়োজনীয় আধুনিক সরঞ্জাম না থাকায় গতানুগতিক পন্থার উপরই নির্ভর করতে হয় ভারী এই শিল্পের শ্রমিকদের। ফলে দূর্ঘটনার ঝুকি নিয়েই কাজ করছে তারা।

তবে মালামাল এবং যাত্রী পরিবহনের জণ্যে নান্দনিক এবং সময় উপযোগী নৌ যান তৈরী করে এরই মধ্যে সক্ষমতার পরিচয় দিয়েছে বরিশাল নগরী সংলগ্ন কির্তনখোলা নদীর তীরে গড়ে ওঠা ডকইয়ার্ড গুলোও।

পিরোজপুরের সদর এবং ইন্দেরহাটসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বেসরকারী উদ্যোগে গড়ে উঠেছে এমন বেশ কিছু জাহাজ নির্মান প্রতিষ্ঠান। মুলত আভ্যন্তরীন নৌপথে মালামাল এবং যাত্রী পরিবহনের জন্যই এ সব নৌযান নির্মিত হয়। প্রয়োজনীয় সহায়তা এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সুদৃষ্টি না থাকায় শিল্পকে আরো এগিয়ে নেয়া যাচ্ছে না বলে জানান উদ্যোগতারা।

তথ্যানুযায়ী, অবারিত সম্ভাবনা বিরাজ করছে জাহাজ শিল্পে। অপেক্ষাকৃত কম মূল্যে মান সম্পন্ন জাহাজ নির্মানের কারনে বিদেশী ক্রেতারা ঝুকছেন বাংলাদেশের প্রতি।

সারা দেশে প্রায় দুই শত প্রতিষ্ঠান থাকলেও আন্তর্জাতিক অঙ্গন আস্থা রেখে চলছে হাতে গোনা চার পাচটি প্রতিষ্ঠান। এদের মধ্যে অন্যতম চট্টগ্রামের ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড। যাদের হাত ধরে ইউরোপসহ বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হয়েছে বেশ সমুদ্রগামি জাহাজ।