এককালে বন্ধ হয়ে যাওয়া ‘আদমজী জুটমিল’ এখন বিশ্বব্যাপী সমাদৃত (ভিডিও)

0
265

রাকিব হাসান : পাট আমাদের সোনালী আঁশ। পাটের সম্ভাবনাকে কাজে লাাগিয়ে অর্থনীতিকে আরো গতিশীল করতে কাজ করছে সরকার। এরই মধ্যে পলিথিনের বিকল্প হিসেবে পরিবেশ বান্ধব সোনালী ব্যাগসহ ২৮০টি পাটজাত পণ্য উৎপাদন করছে বাংলাদেশ। আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই সোনালী ব্যাগের বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হবে বলে জানালেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রনালয়ের সচিব মিজানুর রহমান।

বাংলাদেশের সোনালি আঁশ পাট। দেশের অর্থনীতি, সমাজ, সংস্কৃতিসহ স্বাধিকার আন্দোলনে পাটের অবদান গুরুত্বপূর্ণ। পৃথিবীতে এমন সোনালী সম্ভাবনাময় উদ্ভিদ আর দ্বিতীয়টি নেই। কৃষি আর শিল্পে যার অবদান সমান তালে।

স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাট শিল্পের উন্নয়নে সর্বোচ্চ চেষ্টা শুরু করলেও ৭৫ পরবর্তী সময়ে তা থমকে যায়। ২০০২ সালে তৎকালীন সরকার আদমজী জুটমিল বন্ধ করে দিয়ে শেষ পেরেক ঠুকে দেয় সম্ভাবনাময় এই খাতটিতে।

২০০৯ সালে ক্ষমতায় এসে বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বন্ধ হয়ে যাওয়া সকল পাটকল আবাও চালুর ব্যবস্থা করেন। ফলে নতুন করে পুনরায় কর্মসংস্থানের সুযোগ পায় প্রায় ৪০ হাজার মানুষ। আবারও ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করে বাংলাদেশের পাট।

বর্তমানে পাট উৎপাদনের পরিমান বছরে প্রায় ৯০ লক্ষ বেল। উৎপাদিত পাটজাত পণ্যের সংখ্যা ২৮০টি। যা দেশের পাশাপাশি সমাদৃত হয়েছে বিশ্বব্যাপী।  বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পাট ও পটজাত পণ্য রপ্তানী করে বছরে আয় হচ্ছে প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকা। রপ্তানীমুখী এই শিল্পের সাথে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িয়ে আছে প্রায় ৪ কোটি মানুষ।

পরিবেশ বান্ধব পাটের ব্যবহার করে পলিথিনের বিকল্প সোনালী ব্যাগ উৎপাদনের মাধ্যমে উন্মোচিত হয়েছে নতুন দিগন্ত ।

বাংলাদেশ জুট মিল করপোরেশনের বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মোবারক আহমদ খান বলেন,
পরিবেশ বান্ধব সোনালী আঁশ পাটের বহুমুখীকরন ব্যবহার বৃদ্ধিতে সরকারের পক্ষ থেকেও নেয়া হয়েছে নান উদ্যোগ।

দুষণমুক্ত আগামীর পৃথিবী তৈরিতে পাট ও পাটজাত পন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এমনটাই প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।