এবারও ঈদের সবচেয়ে বড় জামাত অনুষ্ঠিত হবে শোলাকিয়ায়

0
100

আব্দুল্লাহ আল মামুন : এবারও ঈদুল ফিতরের সবচেয়ে বড় জামাত অনুষ্ঠিত হবে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ময়দানে। ইতোমধ্যেই মাঠের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন আয়োজকরা।

মুসল্লিদের নিরাপত্তায় থাকছে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা। এবার ১৯২তম ঈদুল ফিতরের জামাতে ইমামতি করবেন মাওলানা ফরিদউদ্দিন মাসউদ। কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি মো:  পলাশের তথ্য ও ভিডিও চিত্রে আরো জানাচ্ছেন নূর মোহাম্মদ।

বছর ঘুরে আবার সামনে ঈদুল ফিতর। সেই দুঃসহ ক্ষত ভুলে এবারও দেশের সবচেয়ে বড় ঈদের জামাত আয়োজনের তোড়জোড় চলছে ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ময়দানে। ঈদগাহ পরিচালনা কমিটির নেতৃত্বে জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন ও পৌরসভা শোলাকিয়ার জামাতকে সফল করতে দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছে। জামাতের প্রস্তুতি ও নিরাপত্তার বিষয়গুলো দেখতে জেলা প্রশাসকসহ পুলিশ- র‌্যাব কর্মকর্তারা পরিদর্শন করেছেন শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠ।

এরই মধ্যে মাঠে দাগ কাটা, বালু ফেলা, দেয়ালে রং করাসহ শোলাকিয়া ময়দানকে জামাতের উপযোগী করার কাজ শেষ হয়েছে। সংস্কার করা হয়েছে ওজুখানা এবং টয়লেট। চলছে শহরের শোভাবর্ধনের কাজও। প্রস্তুত রাখা হেয়েছে বহুসংখ্যক স্বেচ্ছাসেবক ও কয়েকটি মেডিক্যাল টিম। দূর-দূরান্তের মুসুল্লিদের যাতায়াতের জন্য শোলাকিয়া স্পেশাল নামে দুটি বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থাও করেছে রেল কর্তৃপক্ষ।

অন্যদিকে শোলাকিয়ার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গত এক মাস ধরে প্রস্তুতি নিচ্ছে পুলিশ, র‌্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এবারও শোলাকিয়ায় লাখো মানুষের ঢল নামবে বলে আশা করছে স্থানীয়রা।

পাঁচ প্লাটুন বিজিবি, বিপুল সংখ্যক পুলিশ, র‌্যাব. আনসার সদস্যের সমন্বয়ে নিশ্চিদ্র ও কঠোর নিরাপত্তা বলয়ের পাশাপাশি মাঠে সাদা পোষাকে নজরদারি করবে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা। এছাড়াও শহরসহ মাঠের প্রবেশ পথগুলোতে থাকছে সিসি ক্যামেরা ও ওয়াচ টাওয়ার। নামাজ শুরুর আগে পুরো মাঠ তল্লাশি করা হবে মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে। শোলাকিয়া মাঠ ও শহরের যত অলিগলি আছে, সবখানে বসানো হবে নিরাপত্তা চৌকি।

রেওয়াজ অনুযায়ী, জামাত শুরুর আগে শর্টগানের ৬টি ফাঁকা গুলি ছোড়া হবে। জামাত শুরুর ৫ মিনিট আগে ৩টি, ৩ মিনিট আগে ২টি এবং ১ মিনিট আগে ১টি গুলি ছুড়ে নামাজের জন্য মুসল্লিদের সঙ্কেত দেওয়া হবে।