এবারের হজে যেসব বিধিনিষেধ মেনে চলতে হবে হাজীদের

0
472

করোনাভাইরাসের কারণে আগেই সীমিত আকারে হজ পালনের ঘোষণা দেয় সৌদি সরকার। এর ফলে দেশটির মাত্র এক হাজার জন এবারের হজে অংশ নিতে পারবেন। এই প্রথমবারের মতো বিদেশি মুসলিমদের জন্য হজ নিষিদ্ধ করেছে সৌদি।

আর হজ চলাকালীন সময় করোনাভাইরাসের ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে এবার সৌদি আরবের রোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে এই বছরের সীমিত আকারের হজে কিছু নতুন বিধিনিষেধ আরোপ করেছে।

এবারের হজে হাজীরা যা করতে পারবেন আর যা পারবেন না

ইসলামের পবিত্র নির্দশন কাবা স্পর্শ করা যাবে না এবারের হজে। এছাড়া সব ধরনের সমাবেশ ও সভা নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

নামাজের সময় তো বটেই, কাবা শরীফ তাওয়াফের সময়ও দেড় মিটার দূরত্ব বজায় রাখতে হবে হাজীদের মধ্যে। রোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র (সিডিসি) এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানায়।

সীমিত সংখ্যক হাজী মিনা, মুজদালিফা ও আরাফাতে যাওয়ার অনুমতি পাবেন। হজ চলাকালীন সময় হাজী ও আয়োজকদের প্রত্যেকের জন্য সর্বদা মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। 

পাথর নিক্ষেপের যে রীতি আছে সেখানে বিশেষ ধরনের পাথর ব্যবহার করতে হবে। হজের বিশেষ অনুমতি ছাড়া ১৯শে জুলাই থেকে হজের পঞ্চম দিনের আনুষ্ঠানিকতা পর্যন্ত কেউই মিনা, মুজদালিফাহ ও আরাফাতে যেতে পারবেন না।

যদি কারো মধ্যে উপসর্গ দেখা যায় তবে তার হজের বাকি আনুষ্ঠানিকতা নির্ভর করবে চিকিৎসকের পর্যবেক্ষণের ওপর। হাজিদের জন্য আলাদা ভবন, পরিবহন ব্যবস্থা রাখা হবে। উপসর্গ যদি বেশি হয় তাহলে হজে অংশ নিতে দেয়া হবে না।

মক্কার এই সুবিশাল মসজিদের সকল ফ্রিজ সরিয়ে নেয়া হবে, যার যার ব্যক্তিগত পানির পাত্রে পানি নিয়ে পান করতে হবে।

আলাদা খাবারের ব্যবস্থা থাকবে। যে তাবুর নিচে হাজিরা অবস্থান করেন সেখানে প্রতি ৫০ বর্গমিটারে ১০ জনের বেশি থাকা যাবে না।

এবারের হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে ১৯ জুলাই থেকে ২ আগস্ট পর্যন্ত।

উল্লেখ্য, করোনাভাইরাসে এখন পর্যন্ত দেশটিতে আক্রান্ত হয়েছে ২ লাখ ৯ হাজার ৫ শতাধিক মানুষ। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ১ হাজার ৯১৬ জনের।