সাইদুর রহমান আবির:

সিটি কর্পোরেশন সহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সংস্থার কঠোর নির্দেশ থাকলেও এখনো রাজধানীর পুরান ঢাকায় বন্ধ হয়নি রাসায়নিক অথবা দাহ্য পদার্থের গোডাউন।

এসব বন্ধে কর্তৃপক্ষের নির্দেশ থাকলেও কঠোর নজরদাড়ি নেই বলে অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী। কেমিক্যাল গোডাউন সরানোর অভিযান অব্যাহত আছে বলে জানিয়েছে ঢাকা দক্ষিন সিটি কর্পোরেশন।

দ্রুত এ বিষয়ে আইনগত উদ্যোগ নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন আইনজীবী মনজিল মোরসেদ। এ নিয়ে এবারের মাই সার্চ। ২০১০, ৩ জুন। দেশের ভয়াবহ এক অগ্নিকাণ্ডের নাম রাজধানীর নিমতলীর অগ্নিকাণ্ড।

শিশু থেকে শুরু করে বৃদ্ধ পর্যন্ত এ অগ্নিকাণ্ডে নিভে গেছে শতাধিক জীবন। বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার ব্লাস্ট হলেও অসংখ্য মানুষের মৃত্যুর কারণ ছিল ভবনটিতে থাকা দাহ্য পদার্থের গোডাউন।

বহুদিন অতিবাহিত হয়েছে, সময়ের আবর্তে মানুষের মন থেকে মুছে গেছে সেই দুঃসহ স্মৃতি। তবে মনে রেখেছে মাই সার্চ টিম। এবার গন্তব্য নিমতলীর সেই ভবন এবং আশপাশের এলাকা।

কিন্তু এমন দৃশ্য দেখে ভ্রু কুচকে যাবে যে কারো। ভয়াবহ বেশ কয়েকটি অগ্নিকাণ্ডের পরে সংশ্লিষ্ট সংস্থা নড়েচড়ে বসলে অনেকটা বন্ধ হয় খোলামেলাভাবে গোডাউনে কেমিক্যাল রাখা।

কিন্তু সংস্থাগুলো সক্ষম হয়নি পূরান ঢাকাকে কেমিক্যাল গোডাউনমুক্ত করতে। গোপনে এখনো কয়েক হাজার কেমিক্যালের গোডাউন রয়েছে পুরান ঢাকায়। মাই সার্চ টিমের কৌশলে উঠে এসেছে তারই ভিডিও চিত্র।

পূরান ঢাকার এসব গুদামে রয়েছে গ্লিসারিন, সোডিয়াম অ্যানহাইড্রোস, সোডিয়াম থায়োসালফেট, হাইড্রোজেন পার অক্সাইড, মিথাইল ইথাইল কাইটন, থিনার, আইসোপ্রোইল সহ ভয়ংকর রাসায়নিক দাহ্য পদার্থ।

এসব রাসায়নিক সামান্য আগুনের স্পর্শ পেলেই ঘটতে পারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কঠোর নজরদাড়ি নেই বলে অভিযোগ রয়েছে এলাকাবাসীর।

পূরান ঢাকাকে কেমিক্যাল গোডাউনমুক্ত করতে আইনি পদক্ষেপ নেয়ার কথা জানিয়েছেন আইনজীবী মনজিল মোরসেদ।

আর আবাসিক ভবন দাহ্য কেমিক্যাল গোডাউনমুক্ত করতে অভিযান অব্যাহত আছে বলে জানিয়েছে ঢাকা দক্ষিন সিটি কর্পোরেশন।