সাইদুর রহমান আবির :

স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের সাথে অবিচ্ছেদ্যভাবে জড়িয়ে আছে যে নামগুলো তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও শিখা চিরন্তন। বঙ্গবন্ধু বিশ্ব স্বীকৃতি পাওয়া ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণও দিয়েছেন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে।

কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে থাকা গুরুত্বপূর্ন এই স্থানগুলো কতটা সুরক্ষিত থাকার কথা। সরকার বিভিন্ন ইতিবাচক উদ্যোগ নিলেও স্থান দুটি ঘিরে চলছে মাদক সেবন এবং তরুন তরুনীদের আপত্তিকর কার্যক্রম। স্থান দুটি সুরক্ষিত না করতে পারায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মুক্তিযোদ্ধারা।

এ বিষয়ে মানুষের মূল্যবোধ সৃষ্টির উপর জোর দিয়েছেন সমাজবিজ্ঞানীরা।

তৎকালীন রেসকোর্স বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে। বাংলার মুক্তিযুদ্ধ এবং এই সোহরাওয়ার্দী উদ্যান এ এক অবিচ্ছেদ্যভাবে অংশ। স্বাধীনতার চেতনা সমুন্নত রাখতে প্রতিক হিসেবে উদ্যানটির একপাশে রয়েছে শিখা চিরন্তন। সোহরাওয়ার্দী উদ্যান এবং শিখা চিরন্তন কেন্দ্র করে সরকার সম্পন্ন করেছে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড। এমনকি এই উদ্যানে করা হয়েছে স্বাধীনতা যাদুঘর।

কিন্তু কি হচ্ছে শিখা চিরন্তনের পাশে এবং পুরো সোহরাওয়ার্দী উদ্যান জুরে?

স্থান দুটি ইতিহাসের সাক্ষী হলেও আবার এই স্থানগুলোতেই চলছে ইতিহাস কলঙ্কিত করার কার্যক্রম। বিভিন্ন সময় দেখা যায় অবাধে চলছে মাদক সেবন। উদ্যানে তরুন তরুনীদের আপত্তিকর কার্যক্রম তো রয়েছেই।

বিষয়টিতে ক্ষোভ প্রকাশ করে স্থান দুটিকে সুরক্ষিত করার দাবি জানিয়েছেন মুক্তিযোদ্ধারা। আর এই সমস্যা সমাধানে মানুষের মধ্যে মূল্যবোধ জাগ্রত হওয়ার বিকল্পা নেই বলে জানিয়েছেন সমাজবিজ্ঞানিরা।

স্বাধীনতার ইতিহাস অক্ষুন্ন রাখতে প্রতিটি মানুষেরই স্থান দুটির প্রতি আরো সতর্ক থাকা উচিত বলেও মনে করছেন মুক্তিযোদ্ধা ও সমাজবিজ্ঞানিরা।