শারমিন আজাদ :

কার্বন নি:সরণ ও পরিবেশ দূষণের কারণে হচ্ছে জলবায়ু পরিবর্তন। দেশের শিল্পকারখানা ও ইটভাটার পরিবেশ দূষণ রোধে ক্ষতিপূরণ আদায় করেও সব কুল রক্ষা করতে পারছে না পরিবেশ অধিদপ্তর। টানা ভারী বর্ষন আর বজ্রপাতকে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব বলে চিহ্নিত করেছেন আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা।

শিল্প কারখানা বা ইট ভাটা যাতে পরিবেশ দূষণ না করে, সেজন্য আছে পরিবেশ আইন, আছে ইট ভাটা আইন-২০১৩। কার্বণ নি:সরণ বন্ধে নিয়ম আছে লোকালয়ের কাছে ইট ভাটা না করার। নিয়ম আছে, গাছ না কাটার। জলাশয় ভরাট না করাও নিয়ম।

অথচ সেসব নিয়ম মানা হচ্ছে না। কখনো তা ধরা পড়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের নজরে। কখনো থেকে যায় ধরা ছোঁয়ার বাইরে।

যার ফলাফল-গত পৌনে তিন দশকে বেড়েছে ঘূর্ণিঝড়। আর গত কয়েক বছরে বেড়েছে মৌসুমের আগেই ভারী বর্ষণ। সেই সাথে দ্রুত বাড়ছে মেঘের স্তর। গত দুই বছরে বৃষ্টিপাতের পরিমাণও আগের তুলনায় বেড়েছে। এসবই জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের ফল বলে জানালেন আবহাওয়াবিদরা।

বিশেষজ্ঞরা এর জন্য দায়ী করছেন কার্বন নি:সরণকে। কার্বণ নি:সরণে উন্নত বিশ্বের দায় অনেক বেশি। তবে পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বললেন, দেশের শিল্প প্রতিষ্ঠান ও ইট ভাটার কার্বন নি:সরণ নিয়ন্ত্রণেও সোচ্চার পরিবেশ অধিদপ্তর।

এমনিতেই জলবায়ু পরিবর্তনের শিকার বাংলাদেশ। তার উপর জলাশয় ভরাট ও পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর কাজ বন্ধে শিল্প মালিকদের নৈতিক দায়িত্ব বাড়ানোর তাগাদা সংশ্লিষ্টদের।