কিভাবে বড় হচ্ছে গার্মেন্টস কর্মীদের সন্তানরা

0
87

মাহবুব সৈকত : জীবন এবং জীবিকার প্রয়োজনে প্রতিদিন ই রাজধানীমুখি হচ্ছে হাজারো মানুষ। এদের বেশির ভাগই নিন্মবিত্ত। নগরীতে আসা মানুষের প্রথমেই প্রয়োজন হয় কর্মসংস্থান।

বেঁচে থাকার জন্য কাজ করতে হয় নরী- পুরুষ, কিশোর- কিশোরী সবাইকে। বেশির ভাগ পরিবারের শিশুদেরকে বাসায় একা রেখেই যেতে হয় কাজে।

এ সময়টা কিভাবে বেড়ে উঠছে তারা, কিবা তাদের ভবিষ্যত?

দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রতিদিনই নানাবিধ কারনে হাজরো মানুষের স্রোত রাজধানীমুখি হয়।
নগরীতে আসা উল্লেখযোগ্য অংশই স্বল্প শিক্ষিত নিন্মবিত্ত। জীবিকার প্রয়োজনে প্রথমে ই কাজের সন্ধান, ছেলেদের কাজের ধরনে ভিন্নতা থাকলেও মেয়েদের প্রথম পছন্দ গার্মেন্ট।

অদক্ষ এ সব কর্মীরা এক সময় হয়ে ওঠে প্রশিক্ষিত, এদের হাত ধরে ই গামেন্ট খাত থেকে আসে সর্বোচ্চ বৈদেশিক মুদ্রা। দেশের অর্থনৈতিক চাকা সচল রাখে যারা চলুন দেখে আসি তাদের আবাসন।

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার বস্তির এ সব ঘরেই থাকে বেশির ভাগ গার্মেন্ট শ্রমিক। দিনের বেলা সবাই কাজে, তাই খুব একটা সমাগম নাই। তবে এর ই মাঝে কথা হয় এক কিশোরী সাথে।

বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানেই ডে কেয়ার না থাকায় নবজাতকের বড় হওয়ার অপেক্ষায় কাজ ছেড়ে দিতে হয় অনেক গার্মেন্ট শ্রমিকের। শিশুরা একটু বড় হলে তাদের রেখে কাজে যোগ দেন মা, তখন অবিভাবক বিহীন শিশুদের দিন কিভাবে কাটে তা জানতে চাই আমরা।

দুরন্তপনায় মেতে থাকা শিশুদের বেশির ভাগ ই হয়না স্কুলমুখি। আবার পাঠশালায় যারা যায় আসে তারাও ঝরে যায় সময়ের সাথে। কিন্তু স্বপ্ন তাদের আকাশ সমান।

নেই সঠিক পৃষ্ঠপোষকতা। গামেন্ট কর্মীদের সন্তানদের ভবিষ্যতকে ঝলমলে সুন্দর করতে প্রয়োজন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আন্তরিক নজরদারী