কী জানাচ্ছে ‘রক্ত চাঁদ’ এর আগমন ?

0
84

হিব্রু বাইবেলের ‘বুক অফ জোয়েল’ এ লেখা রয়েছে ‘সূর্য অন্ধকার হয়ে যাবে, চাঁদ রক্তবর্ণ ধারণ করবে এবং সেই দিন তিনি প্রকট হবেন।’’

একই কথা অন্যভাবে জানায় বাইবেলের ‘নিউ টেস্টামেন্ট’-এর ‘বুক অফ রেভেলেশন ‘‘যখন তিনি (সেই গ্রন্থের) ষষ্ঠ সিলমোহরটি উন্মোচন করবেন, তখন ভূমিকম্পে পৃথিবী কেঁপে উঠবে, সূর্য কৃষ্ণবর্ণ ধারণ করবে এবং চাঁদে এসে লাগবে রক্তের ছোঁয়াচ।’’

বলাই বাহুল্য এই দু’টি বর্ণনাই সেই অন্তিম দিনের, যাকে খ্রিস্টানরা ‘ডুমস ডে’, ‘আর্মাগেডন’ বা ‘অ্যাপোক্যালিপ্স’ বলে থাকেন। সেই দিন, বাইবেল মতে, সৃষ্টির বিলয় ঘটার দিন। আগামী ২৭ জুলাই একুশ শতকের দীর্ঘতম পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণটি ঘটতে চলেছে।

গ্রহণের অনুষঙ্গ হিসেবে সেদিন ‘ব্লাড মুন’ বা ‘রক্ত চাঁদ’ কে দীর্ঘ সময় ধরে দেখা যাবে বলেও জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ‘মিরর’-এর প্রতিবেদনে এই সংবাদ প্রকাশ করে এই ‘রক্ত চাঁদ’ নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে তুলেছেন মহাপ্রলয়বাদীরা।

খ্রিস্টীয় ধর্মযাজক মার্টিন হাগি এবং মার্ক ব্লিৎজ এই মহাপ্রলয় তত্ত্বের মূল প্রবক্তা। তাঁরা জানাচ্ছেন, বাইবেলের বর্ণনা অনুযায়ী প্রলয়ের পূর্বাভাস ২০১৪-এর এপ্রিল থেকে পাওয়া যাচ্ছে।

চারটি পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণই প্রলয়কে অনিবার্য ভাবে প্রকট করে তুলবে। ২৭ জুলাইয়ের রক্তচাঁদ সেই প্রলয়ের অন্তিমতম চিহ্ন। কারণ ‘বুক অফ রেভেলেশন’ মতে, এদিন ষষ্ঠ সিলটি উন্মোচিত হবে। বাকি থাকবে সপ্তম সিলমোহর। অতএব সৃষ্টির বিলয় অনিবার্য।