কোনো ক্রিকেটারের মধ্যে নিজের ছায়া দেখতে পান না কপিলদেব

0
58

এ প্রজন্মের কারও মধ্যে নিজের ছায়া দেখতে পান না বলে সাফ জানালেন ভারতীয় ক্রিকেটার কপিলদেব। লোকে কত কী বলে! কত তুলনা টানে!‌ তবে ইদানীং কারণে–‌অকারণে হার্দিক পান্ডিয়ার সঙ্গে তাঁর তুলনা টানাটা কারও কারও অভ্যসে পরিণত হয়েছে।

তাঁর নাম জুড়ে তুলনা করা হচ্ছে বলে নয়, কপিলদেবের আপত্তি, এভাবে হার্দিককে চাপে ফেলে দেওয়া হচ্ছে দেখে। বলেছেন, ‘‌হার্দিক প্রতিভাবান। ওর খেলা দেখায় রোমাঞ্চ আছে। ওকে মাথা উঁচু রেখে সামনের দিকে এগোতে হবে।

প্রচুর, প্রচুর পরিশ্রম করতে হবে। কারণ, সামনে অনেক পথ। এই মুহূর্তে ক্রিকেটে খেলা যেমন বেশি, প্রতিযোগিতাও বেশি। টিমে প্রতিদ্বন্দ্বিতা এতই বেশি যে, টিকে থাকতে হলে পরিশ্রম করে যেতেই হবে। এখন তো সারা বছরই খেলা। আর সারা বছর যদি খেলতে হয়, ফিট থাকতেই হবে। শরীর ফিট রাখাটা এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। হার্দিকের জন্য আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা রয়েছে।’‌

ভারতীয় দলে এখন গতি বোলারের সংখ্যা বেড়েছে। নিজে যখন খেলতেন, তখন গতিমানব সে অর্থে ছিলই না। কেমন লাগে এই পরিবর্তন?‌ কপিলের কথায়, ‘‌বেশ ভালই লাগে। এখন তো অনেক ছোট ছোট শহর, অখ্যাত গ্রাম থেকে প্লেয়ার উঠে আসছে। এই ধরনের পরিবর্তনে ইতিবাচক দিক খুঁজে পাই।’‌

ধোনিকে সুযোগ দেওয়া নিয়ে সমালোচকরা সোচ্চার। আরও একবার সেই সব সমালোচককে একহাত নিয়েছেন কপিল। বলেছেন, ‘‌এই সমালোচকরা কারা?‌ এরা কি জাতীয় দলের ব্যাপারে সবচেয়ে বেশি বোঝে?‌ নির্বাচকদের থেকেও বেশি বোঝে?‌ মানছি, প্রত্যেকের কথা বলার স্বাধীনতা আছে। কিন্তু বিশ্বাস করি, নির্বাচকরা দলের ব্যাপারে সবচেয়ে ভাল বোঝেন। আর মনে হয় না, ধোনির থেকে ভাল ওর ব্যাপারটা আর কেউ বোঝে। ও সত্যিই অসাধারণ।’‌

আশিস নেহরার অবসরের পর বলেছিলেন, প্রত্যেক ক্রিকেটারের প্রাপ্য এইভাবে বিদায়। আপনার বিদায়টা এভাবে হয়নি বলে কি কোনও আক্ষেপ আছে?‌ কপিলদেব বলেছেন, ‘‌ভারতে অগণিত প্লেয়ার ক্রিকেট খেলে। কিন্তু খুব কম সংখ্যক জাতীয় দলের হয়ে খেলার সুযোগ পায়। আমি ভাগ্যে বিশ্বাসী। তাই মনে হয়, অবসরের মুহূর্তটা স্মরণীয় করে রাখতে গেলেও লাক দরকার হয়।’‌