কোন সাহায্যই পৌঁছে না যাদের কাছে

0
65

এস এম খোরশেদ আলম :

অর্থপ্রতিপত্তি না থাকলে কোন মানুষই সহযোগিতার হাত বাড়ায় না, তার জলন্ত প্রমাণ শেরপুরের বিকলাঙ্গ আমিন আর নোয়াখালীর রবিউল, একজনের জন্ম থেকে দুই পা অবশ, অন্যজন ট্রেন দুর্ঘটনায় হাত হারানো। জীবন চালাতে তাই তারা বেছে নিয়েছেন ভিক্ষাবৃত্তি।

রাত্র দুটার সময় কমলাপুর রেলস্টেশনে অপেক্ষা করছিলাম একটা অভিযানের খবর সংগ্রহের জন্য।
হঠাৎ চোখে পড়লো একজন বিকালঙ্গ লোক হাত দিয়ে ঠেলা ঠেলে ঠেলে যত্রতত্র ভিক্ষা করে বেড়াচ্ছে।
জিঞ্জাসা করতেই তার নাম আমিন বলে জানালো, বাড়ী শেরপুর। চার ভাইবোনের মধ্যে সে বড়, ছোট বেলা থেকে কি যেন রোগে বিকালঙ্গ হয়েছে, মা বাবা গরিব থাকায় চিকিৎসার অভাবে এই অবস্থা তার।

বয়স এখন ৫০বছর কিন্তু অদ্যবধি কেউ সাহায্যে জন্য এগিয়ে আসেনি তাই ভিক্ষাই তার একমাত্র ভরসা।
আরেক জন রবিউল ইসলাম, বাড়ী নোয়াখালি, ছোট বেলায় ট্রেন দুর্ঘটনায় তার একহাত কেটে ফেলতে হয়েছে।

ঘরে সৎমা থাকায় কোন দিনও আদর পায়নি রবিউল। তাই সেও ভিক্ষা করে রাস্তায় রাস্তায়।
যে পরিমান টাকা রোজগার করে তা দিয়ে খাবার খায় আর খারাপ ছেলেদের সঙ্গে মাদক সেবন করে।
যদি কেউ সাহায়্যের হাত বাড়ায় তাহলে আপত্তি নেই তাদের।