ক্রিকেটের হাত ধরে ছড়িয়ে যাচ্ছে নতুন নেশা ‘ক্রিকেট জুয়া’

0
506

নাহিদ কামাল : নগর থেকে গ্রাম। দেশের যে প্রান্তেই পৌঁছেছে ক্রিকেট উন্মাদনা, সেখানেই নতুন এক নেশার আগ্রাসন; আর সেটি ক্রিকেট জুয়া।

এতে অনেকে যেমন রাতারাতি গড়েছেন টাকার পাহাড়, অপর দিকে অনেকেই হয়েছেন নিঃস্ব। ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জুয়ার আসর বন্ধ করতে সরকারের পাশাপাশি এগিয়ে আসতে হবে সাধারন মানুষকে।

জুয়া বা বাজির প্রচলন সেই আদি কাল থেকেই। পুরান কিংবা মহাভারতেও উল্লেখ আছে এই বাজির কথা। কখনো অর্থ, কখনো যৌবন, আর ক্ষেত্রবিশেষে জীবনও। যৌবন বাজি রেখে হারজিতের এই খেলা ৪ হাজার বছরের।

অনুসন্ধানী চোখের সূক্ষ্ম নজরের হাজারো পাতা উল্টে আজ আমরা বের করে এনেছি অন্ধকারে নিমজ্জিত নতুন এক দৃশ্যপট। আর সেটি হচ্ছে ক্রিকেট জুয়া। শহর থেকে গ্রাম, পাড়া মহল্লার অলি-গলিতে চলছে এই নেশা। বিশেষ করে তরুণদের গ্রাস করছে এটি। ক্রিকেট জুয়া পুরো বিশ্ব মাতাচ্ছে গত দুই দশক ধরে।

মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা। রাজধানীর খিলগাঁও একটি চায়ের দোকানে অবস্থান আলো আঁধারের গল্প টিমের। ক্রিকেট খেলা নিয়ে অনেকের উচ্ছাস থাকলেও কারো কারো চোখে মুখে বিষন্নতা।

আধুনিকতার স্পর্শে জুয়ার আরেক ডিজিটাল প্লাটফর্মের নাম অনলাইন জুয়া। আন্তর্জাতিক জুয়ার আয়োজকরা নির্দিষ্ট কিছু ওয়েবসাইটে রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে বসায় এই আসর। যার কারণে সারা দুনিয়ার মতো বেটিং সাইটগুলো বাংলাদেশেও এখন সক্রিয়।

ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশের ক্রিকেট এখন একটি মানসম্পন্ন প্লাটফর্ম ধরে রেখেছে, যারা ক্রিকেটের ঐতিহ্যকে ভুলে এরকম জুয়ার আসরে গা ভাসাচ্ছেন তাদেরকে আইনের আওতায় আনতে সরকারি নজরদারি বাড়ানো জরুরী।

ক্রিকেট জুয়ার সাথে জড়িত কাউকে ছাড় দেয়া হবে না বলে জানিয়েছেন পুলিশ কর্মকর্তারা। বলেন, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে। শহর থেকে গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও এই জুয়ার আগ্রাসন। আর সবচেয়ে বেশি জুয়ার আসর বসে আইপিএল ও বিপিএল-কে ঘিরেই।