খাদ্য উৎপাদনে বাংলাদেশের সাফল্য এখন বিশ্বের কাছে বিস্ময়

0
106

রাকিব হাসান : খাদ্য উৎপাদনে বাংলাদেশের সাফল্য এখন সারাবিশ্বের কাছে বিস্ময়কর ঘটনা। কয়েক বছর আগেও যেখানে খাদ্য ঘাটতির দেশ হিসেবে পরিচিত ছিল বাংলাদেশ, সেখানে আজ বছরে ৮০০ কোটি টাকারও বেশি কৃষি পন্য রফতানি করছে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে। কৃষি প্রধান সরকারের প্রচেষ্টার কারণেই এটি সম্ভব হয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

প্রতিনিয়ত নগরায়নের কারণে কমছে কৃষি জমি। জলবায়ু পরির্বতনের ফলে বন্যা, খরা, লবণাক্ততা, বৈরী আবহাওয়া ও প্রকৃতিক দুর্যোগে ব্যাহত হচ্ছে খাদ্যশস্য উৎপাদন।

সকল প্রতিকুলতাকে পেছনে ফেলে খাদ্য উৎপাদনে এরই মধ্যে স্বনির্ভরতা অর্জন করেছে বাংলাদেশ। দেশের এ ধরনের সাফল্য এখন বহির্বিশ্বের কাছে বিস্ময়কর।

সময়োপযোগী পদক্ষেপ এবং কৃষি খাতের উন্নয়নে সরকারের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের ফলে গত আট বছরের ব্যবধানে দেশে খাদ্য শস্য উৎপাদন বেড়েছে ৩০ শতাংশেরও বেশী।

কৃষি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বাংলাদেশে শুধুমাত্র চাল উৎপাদন হচ্ছে ৩ কোটি ৮৬ লাখ ৩৪ হাজার মেট্রিক টন। জাতিসংঘের কৃষি ও খাদ্য সংস্থার তথ্যনুযায়ী, চাল উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ৪র্থ।

সরকারের বাস্তব পদক্ষেপের ফলেই এমনটা সম্ভব হয়েছে বলে মনে করছেন কৃষিবিদ সারোয়ার মোর্শেদ।

এরই মধ্যে গবেষণা চালিয়ে ৬টি হাইব্রিড ও লবনাক্ত সহিঞ্চুসহ ৮৪টি উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত উদ্ভাবন করেছেন বাংলাদেশের বিজ্ঞানীরা। এসব গবেষণা অব্যাহত রাখার পরামর্শ দিয়েছেন কৃষি বিশেষজ্ঞ ড. পরিমল কান্তি বিশ্বাস।

গবেষণার মাধ্যমে উদ্ভাবিত উচ্চ ফলনশীল নতুন জাতের ধান চাষ করে সফলও হয়েছেন কৃষকরা।