মানিক লাল ঘোষ:

দুর্নীতির মামলায় খালেদা জিয়ার সাজা ও কারান্তরীণকে কেন্দ্র করে দেশের রাজনীতিতে চলছে এখন নতুন হিসাব নিকাশ। নির্বাচনী বছরের জন্যই বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে বিষয়টি।

সামনে উঠে এসেছে নানামুখি প্রশ্ন। আওয়ামী লীগের আইন সম্পাদক শ,ম, রেজাউল করিম বলেন, একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের পথে হাটছে সরকার।

আর এই মতের সাথে দ্বিমত পোষণ করে বিএনপির আইন সম্পাদক সানাউল্লা মিয়ার দাবি বিএনপিকে বাইরে রেখে আবারো ক্ষমতায় যাওয়ার পরিকল্পনা করছে সরকার।

শ ম রেজাউল করিম

রাজনীতির এই চিত্র মাই টিভির সাপ্তাহিক আয়োজন রাজনীতির রাজনীতিতে তুলে ধরা হলো এ বারের আয়োজনে।

জিয়া অর্ফানেজ ট্রাষ্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার সাজার রায়ে রাজনীতির অঙ্গণে নতুন মেরুকরণ। বিএনপির অনেক শীর্ষনেতার বিভিন্ন মামলায় কারাগারে ও পলাতক থাকায় খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে আপাতত মানববন্ধন আর শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকতে হচ্ছে দলটিকে।

আর ক্ষমতাসীন দলের রাজনীতির দৃশ্যপট ভিন্ন। ইতোমধ্যে বিভাগীয় শহরে বিভিন্ন জনসভায় নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হয়ে গেছে আওয়ামী লীগের। দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তুলে ধরছেন সরকারের উন্নয়ন চিত্র।

বিএনপির আইন সম্পাদক সানাউল্লা মিয়ার দাবি নির্বাচন থেকে দূরে সরিয়ে রাখতে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার করা হয়েছে বেগম খালেদাা জিয়াকে।

সানাউল্লা মিয়া

তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়াকে রাজনীতিক রোষানলের কারণে কারাগারে থাকতে হচ্ছে। তার বিরুদ্ধে মামলা রাজনৈতিক।

তার দাবির সাথে দ্বিমত আওয়ামী লীগের আইন সম্পাদক শ ম রেজাউল করিমের। তিনি বলেন, রাজনীতিবিদ হিসেবে দায় মুক্তি পায় তার দিন শেষ। অপরাধ কেরলে সাজা পেতে হবে তা সবার মেনের নিতে হবে বলে জানান এই আইনজীবী।

গণতন্ত্রের স্বার্থে নিজ দলের নির্বাচনে অংশগ্রহণের অবস্থান ব্যাখ্যা করেন একই পেশায় নিয়োজিত আওয়ামী লীগ ও বিএনপির এই দুইনেতা।

রিপোর্টার: মানিক লাল ঘোষ

রেজাউল করিম বলেন, আমরা চাই সব দল নিয়ে নির্বাচন করবে। যারা বিজয়ী হবে তারা ক্ষমতায় আসুক। অপর দিকে, সানাউল্লাহ মিয়া বলেন, নির্বাচন কমিশন সবাইকে ভোট চাওয়া ও ভোট দেওয়ার অধিকার নিশ্চিত করবে।