মানিক লাল ঘোষ:

আগামী জাতীয় নির্বাচনের আগে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে রাজনীতির মাঠে বড় দুই দল চিরপ্রতিদ্বন্দী আওয়ামীলীগ ও বিএনপি। খুলনা ও গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশিন।

তফসিল  ঘোষণার পর দলের নেতা-কর্মীদের মধ্যে বইছে নির্বাচনী আমেজ। এই নির্বাচন প্রভাব ফেলবে জাতীয় নির্বাচনে তাই যোগ্য প্রার্থী বাছাই, জয় পরাজয়ের নানা সমীকরণ কষছে দল দুটির হাই কমান্ড।

মাইটিভির সাপ্তাহিক আয়োজন রাজনীতির রাজনীতিতে তাদের নির্বাচনী ভাবনা তুলে ধরা হয়েছে। দল দুটির নেতাদের নির্বাচনী ভানার প্রতিফলন ঘটেছে।

আবার হাড্ডা হাড্ডি লড়াই নৌকা ধানের শীষে। খুলনা ও গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর এলাকাবাসী আওয়ামী লীগ ও বিএনপি নেতাকর্মীদের মাঝে বইছে নির্বাচনী আমেজ।

আগামী জাতীয় নির্বাচনের আগে এই নির্বাচন নিয়ে নানামুখি ভাবনায় দেশের প্রধান দুটি রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারা। বর্তমান সরকার ও এই নির্বাচন কমিশনের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব তার প্রমাণ দিতে চায় ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ।

দলটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ জানান, যে সব নির্বাচন হয়েছে সব নির্বাচনে নিরপেক্ষ করার চেষ্টা করেছে সরকার। পক্ষে গেলে নিরপেক্ষ আর বিপক্ষে গেলে নির্বাচন সুষ্ঠ হয়নি বলে মনে করে বিএনপি অভিযোগ করেন হানিফ।

হানিফ আরো বলেন, যোগ্য প্রার্থী বাছাই করে মনোনয়ন দেওয়া হবে। এলাকার মধ্যে যার ভাবমূর্তি ভালো মানুষের মধ্যে যার গ্রহণযোগ্যতা আছে তাকেই সিটির মেয়র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেওয়ার কথা জানান তিনি।

আর এই সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচনে অংশ না নিলেও সিটি নির্বাচনকে পরীক্ষামূলক ভাবছে বিএনপি। বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান জয়নুল আবেদিন বলেন, সিটি নির্বাচন বিএনপি অংশগ্রহণ করবে জাতিকে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ের নির্বাচনী চিত্র দেখানোর জন্য।

রিপোর্টার: মানিক লাল ঘোষ

প্রার্থী হিসেবে অবশ্যই যোগ্য ও শিক্ষিত ব্যক্তিকে মনোনয়নের কথা জানান বিএনপির এ নেতা।

এলাকার মধ্যে যদি গ্রহণযোগ্যতা না থাকে তাকে কেউ ভোট দেবে না তাই যোগ্য প্রার্থীকেই বিএনপির জন্য মনোনয়নের কথা জানান তিনি।

জাতীয় নির্বাচনে প্রভাব পড়বে জয়-পরপজয়ের অংক তাই প্রার্থী মনোনয়নে সতর্ক অবস্থানে দেশের শীর্ষ দুই রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপি।