খেজুরে মেশানো হচ্ছে প্রাণঘাতী বিষাক্ত কেমিক্যাল

0
85

সাইদুর রহমান আবির:

শুরু হয়েছে রমযান মাস, রাজধানীতে আসছে বিভিন্ন মৌসুমি ফল। আর রমযান মাস কেন্দ্র করে বেশি আসছে খেজুর। কিন্তু আতঙ্কের বিষয় এসব ফলে মেশানো হচ্ছে প্রাণঘাতি বিষাক্ত কেমিক্যাল। আর মেয়াদোত্তীর্ন খেজুরে সয়লাব রাজধানীর আড়ত এবং খুচরা বাজারগুলো। এনিয়ে এবারের মাই সার্চ।

চট্রগ্রামের জনপ্রিয় আঞ্চলিক গান মধু হই হই বিষ খাওয়াইলা। অর্থাৎ মধু খাওয়ানোর কথা থাকলেও খাওয়ানো হয়েছে বিষ। এই গানটির বাস্তব চিত্র যেন ফুটে উঠেছে রাজধানীর ফলের বাজারগুলোতে।

মৌসুমি ফল সহ রং বেরংয়ের বিভিন্ন প্রকারের ফল দেখে হয়তো এখনো বুঝতে পারেননি গানের সাথে ফলের বাজারের মিল কোথায়।খুব আগ্রহ এবং রুচি নিয়ে খেতেই বাজার থেকে কম বেশি মৌসুমি ফল কেনেন রাজধানীর সর্বস্তরের মানুষ।পাশাপাশি ১২ মাসি ফলতো রয়েছেই।

মৌসুমি ফলের মধ্যে অন্যতম রয়েছে আম। বাজারে আম আসার সাথে সাথেই হুমড়ি খেয়ে পরেন ক্রেতারা।এবার রাজধানীর যাত্রাবাড়ি আমের আড়তে মাই সার্চ টিম।

আড়ত জুড়ে সাজানো রয়েছে জিভে পানি আসার মত বাহারি রংয়ের আম। বিক্রেতাদের সহযোগিতায় কয়েকটি আম কাটার পর দেখা গেল ভেতরের অবস্থা।

অপরিপক্ক আমের উপরের অংশটা পুরোই বিষাক্ত কেমিক্যাল দিয়ে পাকানো। আর এখন হয়তো গানটির সাথে মিল পাওয়া গেল। মধুর কথা বলে বিষ খাওয়াচ্ছে এসব ব্যবসায়ীরা। এবার যাত্রাবাড়ি বিদেশ থেকে আনা ফলের আড়তে মাই সার্চ টিম।

এসব ফলের প্রতি সন্দেহ থাকায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা নিয়ে পরীক্ষা চালানো হয়।পাওয়া যায় ফরমালিন এবং কার্বো হাইড্রেটের অস্তিত্ব।যা শরীরে সৃষ্টি করতে পারে ক্যান্সার এবং লিভার সিরোসিস এর মত মরনব্যাধি।

একটু কৌশল অবলম্বন করে এক ফল ব্যবসায়ীর মুখ থেকেই শোনা গেলো, বিভাবে এসব অপকর্ম করা হচ্ছে। বাজারের এই পরিস্থিতি নিয়ে কতটা উদ্বিগ্ন সংশ্লিষ্টরা ?

কর্তৃপক্ষের কঠোর পদক্ষেপ এবং অসাধু ব্যবসায়ীদের মধ্যে মনুষ্যত্ববোধ জাগ্রত করতে পারলেই মানুষ রক্ষা পাবে মরনব্যাধি থেকে।