গণহত্যা ও স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সারাদেশে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

0
59

২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস ও ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সারাদেশে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

তিনি জানান, ২৫ মার্চ রাত ৯টা থেকে ৯টা ১ মিনিট পর্যন্ত সারাদেশে ব্ল্যাকআউট থাকবে। সকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রনালয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে বৈঠক শেষে তিনি এসব কথা জানান। দেশের কোথাও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করতে চাইলে পূর্ব অনুমতি নেয়ারও আহবান জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

আগামী ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবসে রাত ৯টা থেকে ৯টা ১ মিনিট পর্যন্ত সারাদেশ অন্ধকারে (ব্ল্যাক আউট) থাকবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস এবং ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপনে সার্বিক সমন্বয় সভা শেষে আজ রবিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘গণহত্যা দিবস পালন উপলক্ষে আগামী ২৫ মার্চ রাত ৯টা থেকে ৯টা ১ মিনিট পর্যন্ত সারাদেশে প্রতীকী ব্ল্যাক আউট থাকবে। এটা যথাযথভাবে পালনের জন্য আমরা সব কর্তৃপক্ষ একমত হয়েছি। সেই অনুযায়ী আমরা ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছি।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তবে জরুরি স্থাপনা ব্যতীত পুরো বাংলাদেশে এ কর্মসূচি পালিত হবে। অনুষ্ঠানটি উদযাপনের প্রক্রিয়া তথ্য মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বেতার-টিভিতে ব্যাপকভাবে প্রচার করা হবে। বিটিআরসি ও মোবাইল অপারেটরদের মাধ্যমে প্রচার করা হবে। ২৫ মার্চ রাত ৯টা থেকে রাত ৯টা ১ মিনিট পর্যন্ত দেশব্যাপী ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থাও গ্রহণ করা হবে।

সরকার এক মিনিট বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখবে নাকি মানুষ বাতির সুইচ বন্ধ রাখবে- এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মানুষ সুইচ বন্ধ রাখবে। আমরা নিজেরা ব্ল্যাক আউট করব। আমরা যে যেখানে আছি সুইচগুলো বন্ধ রাখব। সেন্ট্রালি কোনো ব্ল্যাক আউট হবে না। যার যার সুইচটা বন্ধ করে দেব।

স্বাধীনতা দিবস পালনের বিষয়ে আসাদুজ্জামান খান বলেন, রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদের সদস্যদের সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে যাওয়া, পুষ্পস্তবক অর্পণ ও ফিরে আসার সময় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হবে।

দিবসে সাভার স্মৃতিসৌধসহ সব অনুমোদিত অনুষ্ঠানে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য বিদ্যুৎ বিভাগকে অনুরোধ করা হয়েছে জানিয়ে আসাদুজ্জামান খান বলেন, স্বাধীনতা দিবসে কারাগার, হাসপাতাল, বৃদ্ধাশ্রম, এতিমখানায় উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হবে।

তিনি বলেন, কূটনীতিক এলাকা, কেপিআই এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হবে। সীমান্ত এলাকায় নজরদারি আরও বৃদ্ধি করা হবে।

যে কোনো ধরনের নাশকতা প্রতিরোধে গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করা হবে জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এ জন্য সবাই সজাগ রয়েছে। সারাদেশে সবাই সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করতে পারবেন। তবে এর তথ্য আমাদের পুলিশ বিভাগ ও লোকাল প্রশাসনের কাছে আগেই দিতে হবে।

আইজিপি জাবেদ পাটোয়ারী, ঢাকার পুলিশ কমিশনার আসাদুজ্জামান মিয়া, কারা অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক সৈয়দ ইফতেখার উদ্দিনসহ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।