গাজীপুরে প্রতিরোধ যুদ্ধ শুরু হয় ১৯ মার্চ

0
47

বাংলাদেশের স্বাধীনতার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ হলেও গাজীপুরে প্রতিরোধ যুদ্ধ শুরু হয় ১৯ মার্চ।

বিগ্রেডিয়ার জাহান জেবের নেতৃত্বে হানাদার বাহিনী ১৯ মার্চ গাজীপুরের রাজবাড়িতে অবস্থানরত বেঙ্গল রেজিমেন্টের বাঙ্গালী সৈনিকদের নিরস্ত্র করতে আসে।

এ খবরে গর্জে উঠে গাজীপুরের প্রতিবাদী মানুষ। দিনটিকে যথাযোগ্য মর্যাদায় স্মরণ করছে স্থানীয় প্রশাসন।

গাজীপুরের মুক্তিযোদ্ধারা নিজের জীবন বাজি রেখে প্রতিরোধ গড়ে তুলেন পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে। তাদের প্রাণপণ চেষ্টার জন্যই স্বাধীন হয় এলাকাটি।

১৯৭১ সালের ঊনিশে মার্চ জয়দেবপুরে (বর্তমানে গাজীপুর) পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ শুরু হয়েছিল। জয়দেবপুরে সংঘটিত প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ যুদ্ধ স্বাধীনতাকামী বীর বাঙালীর অতুলনীয় শৌর্য বীর্য ও বীরত্বের অমলিন গৌরব গাঁথার এক অবিস্মরণীয় ঘটনা।

পাক বাহিনীর কাছ থেকে অস্ত্র কেড়ে নেয়া গাজীপুরের বীর জনতার সেই গৌরবৌজ্জ্বল দিনটি প্রতিবারের মতো এবারও নানা কর্মসূচির মধ্যদিয়ে পালিত হবে গাজীপুরের সর্বত্র।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মাননীয় মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক গাজীপুরে প্রতিরোধ যুদ্ধ সম্পর্কে জানান, সেই সময় আমি ছিলাম সর্বদলীয় সংগ্রাম কমিটির জয়দেবপুরের আহবায়ক।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাতই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের পর গোটা বাঙ্গালী জাতি যখন স্বাধীকার আন্দোলনে উত্তাল ঠিক তখনই জয়দেবপুরের কৃষক শ্রমিক ছাত্রসহ সর্বস্তরের মানুষ পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল।

যার ফলে এ ঘটনার পরপরপই অনেক স্থানেই তখন জনতার মুখে মুখে নতুন শ্লোগান যুক্ত হয়, স্লোগানটি ছিল “জয়দেবপুরের পথ ধর, বাংলাদেশ স্বাধীন কর।“