গ্রীষ্মে বাড়তে পারে করোনার সংক্রমণ, প্রধানমন্ত্রীর ৩ নির্দেশনা

0
185

এই গ্রীষ্মে ফের করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বাড়তে পারে। তাই করোনা সংক্রমণ রোধে তিনটি নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মঙ্গলবার গণভবন থেকে ভার্চুয়াল মন্ত্রিসভা বৈঠকে যোগ দিয়ে তিনি এসব নির্দেশনা দেন। বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম প্রেস ব্রিফিংয়ে নির্দেশনার কথা জানান। মন্ত্রিসভা বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী সভাপতিত্ব করেন।

মন্ত্রিপরিষদসচিব বলেন, প্রধানমন্ত্রী অনুরোধ করেছেন আমি সব জায়গায় বলছি আমরা খুব কমফোর্ট জোনে আছি এটা যেন চিন্তা না করি। হ্যাঁ, আমরা অনেক দেশ থেকে ভালো অবস্থায় আছি, কিন্তু এটা সম্পূর্ণ নিশ্চয়তা দেয় না যে আমরা একেবারে কমফোর্ট জোনে আছি।

আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, উনি (প্রধানমন্ত্রী) তিনটা জিনিস বলেছেন- আমরা যেন অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করি, যথা সম্ভব আমরা যেন সতর্কতা অবলম্বন করি এবং পাবলিক গ্যাদারিং যেখানে হচ্ছে বিশেষ করে কক্সবাজার বা হিল ট্রাকসে বা আমাদের বিভিন্ন সামাজিক বা ধর্মীয় যে গ্যাদারিং হচ্ছে সেখানে যেন একটা লিমিটেড সংখ্যায় থাকি। যেখানে আমাদের নিজেরও যেন একটা দায়িত্ববোধ থাকে যে বেশি সংখ্যক লোক যেখানে আছে সেখানে যেন না যাই। আর যারা যাবেন তারা যেন স্বাস্থ্যবিধিটা অনুগ্রহ করে মেনে চলি।

মন্ত্রিপরিষদসচিব বলেন, কারণ গত কয়েক দিন ধরে আপনারা আর্টিকলেও দেখেছেন, যারা এক্সপার্ট তারা আলোচনা করছেন যে আমরা যেন খুব কমফোর্ট ফিল না করি। কারণ গত বছরে পিকে উঠেছে সামারে (গ্রীষ্মকালে)। এটি নিশ্চিত নয় যে এ বছরেও উঠবে না। আমাদের ধারণা ছিল যে শীতকালে বোধ হয় পিকে চলে যাবে; কিন্তু পিক ছিল হাই সামারে। সুতরাং এপ্রিল, মে, জুন আমাদের হাই সাফার হবে। এক্সপার্টরা যেটা বলছেন সেটাতেও দৃষ্টি দিতে বলা হয়েছে যেন আমরা যে যার জায়গা থেকে পরিবার, প্রাতিষ্ঠানিক, ব্যক্তি বা দলীয় জায়গা থেকে কেয়ারফুল থাকি।

যদি আবার সংক্রমণ বাড়ে তবে লকডাউনের মতো সিদ্ধান্ত আসতে পারে কি না— জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘লকডাউনের কথা আমরা এখনও ওইভাবে চিন্তা করিনি। যদি বাড়ে সরকার বসে একটা সিদ্ধান্ত নেবে। মানুষের লাইফ ও জীবিকা, দুটোকে নিয়ে ব্যালেন্স করে পুরো টাইমটা কাজ করে আসছি। সেভাবে যেটা লজিক্যাল আমরা সেটাতেই যাব।’