চাঁদের পেছনের দিকটা ঠিক কেমন

0
75

নতুন একটা ইতিহাসের সামনে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো। এতদিন সবাই মহাকাশযান পাঠিয়েছে চাঁদের আলোকিত পিঠে। এই প্রথম পৃথিবীর কোনও দেশ পাড়ি দিচ্ছে চাঁদের অন্ধকার পিঠে।

এই অভিযান সফল হলে নিঃসন্দেহে তা ইসরোর মুকুটে নতুন পালক হিসেবে চিহ্নিত হবে। ভারতীয় এক সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা যাচ্ছে, চলতি বছরের অক্টোবরে ওই যানটি চাঁদের উদ্দেশে যাত্রা করবে।

ছয় চাকার রোভার চাঁদের মাটিতে নেমে ১৪ দিন ধরে ৪০০ মিটার ব্যাসার্ধ বিশিষ্ট অঞ্চল জুড়ে তল্লাশি চালিয়ে নমুনা ও তথ্য সংগ্রহের কাজ চালাবে।  পাশাপাশি ওই রোভার চন্দ্রপৃষ্ঠের ছবিও তুলবে, যা থেকে ইসরো তাদের গবেষণা চালাবে।

এদিকে কেবল ভারতই নয়, আমেরিকাও ওই অঞ্চলে অভিযান চালানোর পরিকল্পনা করছে। তবে এখনই নয়, ২০২০ সালের প্রথম দিকে হয়তো চাঁদের উলটো পিঠে নামবে মার্কিন যান।

সেই হিসেবে ইসরো তার বহু আগেই সাফল্য পেতে চলেছে। তবে কেন চাঁদের ওই অংশে যেতে চায় ভারত বা আমেরিকা? চাঁদে পানির চিহ্ন খোঁজার পাশাপাশি হিলিয়াম-৩-রও সন্ধান চালাতে চান মহাকাশ গবেষকরা।

নিঃসন্দেহে চাঁদের মাটিতে এই আইসোটোপের সন্ধান পাবে যে দেশ, তারা বিরাট শক্তি অর্জন করবে। ইসরোর চেয়ারম্যান কে শিভান এ প্রসঙ্গে জানিয়েছেন, ‘‘আমি এই প্রক্রিয়ার কেবল অংশমাত্র হতে চাই না। এটির নেতৃত্ব দিতে চাই।’’

যদিও ভারতের প্রথম মহাকাশচারী রাকেশ শর্মা চাঁদের পিঠে এই ধরনের অভিযানের উদ্দেশ্য হিসেবে কেবল ব্যবসায়িক মনোবৃত্তিকে দেখতে চান না।

তিনি ওই সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, ‘‘আপনি চাঁদে গিয়ে পাঁচিল তুলে দিতে পারেন না। আমি চাই, ভারত দেখিয়ে দিক যে আমরা জনসাধারণের ভালর জন্য কীভাবে স্পেস টেকনোলজিকে কাজে লাগাতে পারি।’’