চিটাগং ভাইকিংসকে ১০ উইকেটে হারিয়েছে সিলেট সিক্সার্স

0
55

বিপিএলে দিনের প্রথম ম্যাচে সিলেট সিক্সার্সের কাছে ৬৭ রানে অল-আউট হয়ে ১০ উইকেটের বড় ব্যবধানে হেরেছে চিটাগাং ভাইকিংস। মিরপুরে টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন সিক্সার্সের অধিনায়ক নাসির হোসেন।

নিজেই নিজের সিদ্ধান্তের মর্যাদা দেন শুরু থেকেই। ২০ রানে চিটাগংয়ের তিন টপ-অর্ডারকে সাঝঘরে ফেরান নাসির। এখানেই থামেন নি এই অধিনায়ক। টি-টুয়েন্টি ক্যারিয়ারে প্রথম ৫ উইকেট তুলে ভাইকিংসদের ইনিংসে ধস নামান তিনি।

শেষ দিকে আরেক স্পিনার নাবিল সামাদের ঘুর্ণীতে ৬৭ রানে অল-আউট হয় চিটাগং ভাইকিংস। তিন উইকেট নেন নাবিল সামাদ।

এই জয়ের মধ্য দিয়ে পরের ধাপে যেতে এখনও আশা টিকিয়ে রেখেছে নাসির হোসেনের দল। তবে পরের খেলায় রংপুর কী করে সেদিকেও চেয়ে থাকতে হবে নাসিরদের।

৬৮ রানের মামুলি লক্ষ্যে খেলতে নেমে বেশি কষ্ট করতে হয়নি সিলেট সিক্সার্সকে। ধীরে সুস্থে খেলে ১১.১ ওভারে জয় নিশ্চিত করেন দুই ওপেনার মোহাম্মদ রিজওয়ান ও আন্দ্রে ফ্লেচার।

রিজওয়ান ব্যাট করছিলেন ৩৬ রানে আর ফ্লেচার ৩২ রানে। ম্যাচসেরা হন ৫ উইকেট নিয়ে চিটাগংকে ধসিয়ে দেওয়া নাসির হোসেন।

এর আগে এবারের আসরের সর্বনিম্ন স্কোর গড়ে অলআউট হয় তলানিতে থাকা চিটাগং ভাইকিংস। রবিবার সিলেট সিক্সার্সের বিপক্ষে খেলতে নেমে ধস ছিল চিটাগংয়ের ব্যাটিংয়ে।

এক নাসির হোসেনের স্পিনেই ঘায়েল ছিল তারা। মাত্র ১২ ওভারে তারা গুটিয়ে গেছে ৬৭ রানে। যা ছিল বিপিএলের চতুর্থ সর্বনিম্ন স্কোর!

ঢাকা পর্বে আজ খেলতে নেমে শুরু থেকে আসা-যাওয়ার মিছিল ছিল চিটাগংয়ের ব্যাটসম্যানদের। দ্বিতীয় বলে লুক রনকিকে ফিরিয়ে যার শুরুটা করেছিলেন নাসির হোসেন।

এরপর থেকেই ছিল আসা-যাওয়ার মিছিল। মাত্র তিনজন ছিলেন ডাবল ফিগারে। তবে টি-টোয়েন্টির বিচারে তা ছিল খুবই বেমানান। বাজে শট নির্বাচন ছিল তাদের এই আত্মসমর্পণের কারণ। লুইস রাইস ১২, ভ্যান জিল ১১ ও ইরফান শুক্কুর খেলেন ১৫ রানের ইনিংস।

নাসির হোসেন একাই ৫ উইকেট নেন ৪ ওভারে ৩১ রান দিয়ে। এছাড়া ৩ ওভারে ৭ রান দিয়ে ৩টি নেন বাঁহাতি স্পিনার নাবিল সামাদ। দুটি নেন শরিফুল্লাহ।