চুড়িহাট্টা ও বনানীর অগ্নিকাণ্ডের পর সারাদেশে অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রের বিক্রি বেড়েছে

0
156

শারমিন আজাদ :

চুড়িহাট্টা ও বনানীর অগ্নিকাণ্ডের পর সারাদেশে বেড়েছে অগ্নি নির্বাপক যন্ত্রের বিক্রি, বাড়ানো হচ্ছে অগ্নি নিরাপত্তা। তবে আধুনিক যন্ত্রপাতি পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ ক্রেতাদের।

বিক্রেতারা অবশ্য বলছেন, অর্ডার পাওয়ার পরই তারা নতুন করে বাড়িয়েছেন আমদানি। অনেকদিনের পুরনো অগ্নি নির্বাপক সিলিন্ডারও দোকানে আসছে গ্যাস রিফিলের জন্য।

ফায়ার সার্ভিসের কঠোরতা আর রাজউকের অভিযানের পর টনক নড়েছে বাণিজ্যিক ভবন ও বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের। নিজ ভবনকে অগ্নিকান্ডে সুরক্ষা দিতে তারা ভিড় করছেন অগ্নিনির্বাপন যন্ত্রের বাজারে।

তবে বিক্রি বাড়ার সাথে সাথে দামও বেড়েছে বিভিন্ন অগ্নি নির্বাপন সরঞ্জামের, এমন অভিযোগও যোগ করলেন ক্রেতারা। সেই সাথে বলেছেন, অনেক আধুনিক সরঞ্জাম পাচ্ছেন না দোকানে।

বিক্রেতারা জানালেন, বাজারে তিন ধরণের ফায়ার নির্বাপক রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ড্রাই কেমিক্যাল পাউডার, কার্বন ডাই অক্সাইড এবং ফোম কেমিক্যাল। তবে ড্রাই কেমিক্যাল পাউডারের চাহিদাই বেশি। চীন থেকে আমদানি করা এসব নির্বাপকের দাম পড়ছে আড়াই হাজার টাকা পর্যন্ত।

ঢাকার বাইরে থেকেও বিভিন্ন কারখানার মালিকরা আসছেন এসব কিনতে।

এছাড়া বর্তমানে বাজারে ফায়ার বল, হেলমেট, ফায়ার সেফটি ড্রেস, ফায়ার কম্বল, মাস্ক বিক্রি বেড়েছে বলে জানান বিক্রেতারা। তবে যতই অগ্নি নির্বাপক যন্ত্র থাকুক, সচেতনতা না বাড়লে এসব যন্ত্রের ব্যবহারও পাঠ্যপুস্তকে বিদ্যা থাকার মতোই হবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।