চুয়াডাঙ্গায় মাদকের স্পট হিসেবে পরিচিত দৃশ্যটি এখন পাল্টে গেছে

0
48

এস কে লিটন :

ভারতের সীমান্তঘেষা জেলা চুয়াডাঙ্গা মাদকের স্পট হিসেবেই পরিচিত ছিলো এতোদিন, সেই জেলাটিরই চিত্র এখন পাল্টে গেছে। মাদক এখন শূন্যের কোঠায়, মাদকসেবীরা বেশির ভাগ আত্মগোপনে, গ্রেফতার হয়েছে গডফাদারদের।

মাই টিভির সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে জেলার পুলিশ সুপার মাহবুবুর রহমান জানান, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বা ষড়যন্ত্রের কেউ শিকার হচ্ছে কিনা সেই বিষয়ে যাছাই-বাছাই করা হচ্ছে।

চুয়াডাঙ্গা জেলাটি পুরোপুরি সীমান্ত ঘেষা। জনবলও কম নয়। তবে সব সময় ছিলো অবহেলিত। সেই জায়গার থেকে বেড়িয়ে এখন অনেকটাই উন্নত।

তবে,সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়াতে মাদকের প্রচলনটা ছিলো অনেকটাই বেশি। হাত বাড়ালেই মাদক পাওয়া যেতো। বেশির ভাগ মানুষরই যেনো ছিলো আদী ব্যবসা।যুগের পর যুগ,মাদকের এই আখড়া ভাংতে ব্যর্থ হয়েছে আইন শৃংখলা বাহিনী।যে কারনে ধ্বংশ হয়েছে যুব সমাজ,স্বপ্ন ভেঙ্গে তছনছ হয়েছে অনেক বাবা,মায়ের। মাদক নির্মুল করাটা যেনো অনেক মায়ের আর্তনাতই ছিলো।

হয়তো বা অনেক বাবা,মায়ের বোবা কান্না নাড়া দেয় প্রধানমন্ত্রীকে। তারপর থেকেই শুরু হয় মাদক বিরোধী অভিযান।চুয়াডাঙ্গার আইন শৃংখলা বাহিনীও নড়েচড়ে বসে, গ্রেফতার করা হয় অনেক মাদক ব্যবসায়ীকে,জব্দ করা হয় বিপুল পরিমান মরণব্যাধী।

মাদক বিরোধী অভিযান সম্পর্কে চুয়াডাঙ্গা জেলার পুলিশ সুপার বলেন,যারা প্রকৃত অপরাধী তাদেরকেই গ্রেফতার করা হচ্ছে। নিজ বাহিনীর সদস্যকের ছাড় দেয়া হয়নি।

যারা মাদক ব্যবসায়ী বা সেবী তাদের সনাক্ত করে একটি তালিকা তৈরী করতে অনুসন্ধানে নেমেছে জেলা পুলিশ, কাউকে বিনা অপরাধে হয়রানি করার, সুযোগ নেই,অভিযোগের ধরন,অতীেিত মাদক সংক্রান্ত মামলা বা জিডি আছে কিনা,সেদিকেও গুরুত্ব দেয়া হবে বলে জানান, পুলিশ সুপার।

পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযানে স্বস্তি ফিরে এসেছে চুয়াডাঙ্গা বাসির মধ্যে। তবে তাদেরও দাবী কারো স্বার্থ হাসিল কিংবা পূর্ব শত্রুতার প্রতিহিংসার স্বীকার যেন না হয়।