চেইন শপের ভিতরে সিমাহীন রাখঢাক (ভিডিও)

0
146

শারমিন আজাদ : হিমায়িত মাছ মাংস পুষ্টিকর কি না তা না জেনেই কিনছেন ক্রেতারা। নিজের অজান্তেই খাচ্ছেন অনিরাপদ খাদ্য। নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ হিমায়িত মাছ মাংস সঠিক তাপমাত্রায় রাখা হচ্ছে কি না তা ধরতে সক্রিয়। তারপরও নিয়মের ব্যত্যয় ঘটছে বলে আশংকা করছেন অনেকে।

পুষ্টিবিদরা বলছেন, কম তাপমাত্রায় হিমায়িত মাছ মাংসে বিষক্রিয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়। মাই টিভির নিয়মিত আয়োজন ‘নিয়ম অনিয়ম’ এ দেখুন পুরো রিপোর্ট।

বেশিরভাগ চেইন শপিং মলে এখন প্রবেশে বাধা। তাদের সংরক্ষিত হিমায়িত মাছ মাংস কতটুকু নিরাপদ তা জানার উপায় নেই। কারণ এ ব্যাপারে তারা কোনো ধরণের সহযোগিতা করতে নারাজ। এত রাখ ঢাক কেন সেটা বুঝতে পারছেন না ক্রেতারাও। তবে তাদের অভিমত, সময় স্বল্পতার কারনে উপায় না পেয়েই এসব হিমায়িত মাছ মাংসের শরণাপন্ন হচ্ছেন। বিক্রেতারা বলছেন, মাছ বা মাংস নিরাপদ কি না তা পরীক্ষার কোনো ব্যবস্থা নেই।

এ নিয়ে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের কাছে নিরাপদ খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিতের প্রতিবেদন চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। পুষ্টিবিদরা মনে করছেন, এ ধরণের খাদ্য শরীরের জন্য ক্ষতিকর। ধীরে ধীরে এসব খাবারই হয়ে উঠতে পারে মৃত্যুর কারনও।

সময় বাঁচাতে কাঁচাবাজারে না গিয়ে অনেক ক্রেতাই ঝুঁকছেন চেইন সুপার শপের দিকে। সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকলেও সঠিক তাপমাত্রায় রাখা সম্ভব নয় এসব হিমায়িত মাছ মাংস।