চোখের আদ্রতা ঠিক রাখুন

0
180

চোখ পর্যাপ্ত পানি উৎপাদন করতে না পারলে ‘ড্রাই আই’ সমস্যা দেখা দেয়। ফলে চোখে নানান অস্বস্তি, জালাপোড়া দেখা দিতে পারে।

শুষ্ক চোখের সমস্যা হলে আলো সহ্য করতে না পারা, ঝাপসা দেখা, লাল হওয়া কিংবা চোখের ভেতর ও বাইরে পিচ্ছিল আঠালো পদার্থ তৈরি হতে পারে।

‘ড্রাই আই’ সমস্যা দূর করার জন্য রয়েছে প্রাকৃতিক পন্থা। স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে এই বিষয়ের ওপর প্রকাশিত প্রতিবেদন অবলম্বনে সেসব পন্থাগুলো এখানে দেওয়া হল।

গরম ভাপ: একটি পাতলা পরিষ্কার কাপড় খানিক গরম পানিতে ডুবিয়ে পাঁচ মিনিট তা চোখের উপরে ধরুন। পরে আলতোভাবে এই কাপড়টা দিয়ে চোখের উপর ও নিচের পাপড়ির উপর ঘষুন। এতে কোনো ময়লা বা জীবাণু থাকলে বের হয়ে যাবে। পানি ঠাণ্ডা না হওয়া পর্যন্ত এই পদ্ধতি অনুসরণ করতে থাকুন। এটা চোখ মসৃণ করে, অশ্রু উন্নত করে এবং চোখের লালচেভাব, অস্বস্তি দূর করতে সাহায্য করে।

নারিকেল তেল: এটা চোখের জলীয়ভাব বজায় রাখতে সাহায্য করে এবং চোখের জল শুকিয়ে যাওয়া রোধ করে। পাশাপাশি এতে আছে প্রদাহরোধী উপাদান যা শুষ্ক চোখের অস্বস্তি দূর করে।

একটি তুলার বল নারিকেল তেলে চুবিয়ে চোখ বন্ধ করে ১৫ মিনিট উপরে রাখুন। চোখের অস্বস্তি না কমা পর্যন্ত নিয়মিত এই পদ্ধতি অনুসরণ করুন।

প্রাকৃতিক সম্পূরক: গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব খাবারে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড আছে তা শুষ্ক চোখের সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে সাহায্য করে।

স্যামন মাছ, সারডিন, তিসির তেল, আখরোট, ইত্যাদি ওমেগা থ্রি সমৃদ্ধ খাবার, যা চোখের সংক্রমণ কমায় এবং চোখের পানির পরিমাণ বাড়িয়ে শুষ্কতা দূর করে।

অ্যালো ভেরা জেল: ক্ষারহীন প্রাকৃতিক উপাদান রয়েছে ঘৃতকুমারীর নির্যাসে। যা চোখের শুষ্কতা দূর করতে খুবই কার্যকর। এর প্রদাহরোধী ও আর্দ্র রাখার উপাদান চোখের লালচেভাব ও ফোলাভাব কমাতে সাহায্য করে।

অ্যালো ভেরা কেটে জেল বের করে টিসুতে মাখিয়ে নিন। তারপর চোখের বাইরে উপরে আলতো করে টিসুটা বুলিয়ে ১০ মিনিট অপেক্ষা করুন। তারপর কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। দিনে দুবার এই প্রক্রিয়া চালাতে হবে।