ছায়েদুল হকের জানাজা ও দাফন রোববার

0
102

মৎস্য ও প্রাণি সম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ ছায়েদুল হকের জানাজা ও দাফন হবে রোববার (১৭ ডিসেম্বর)। আপাতত তার মরদেহ থাকবে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (পিজি হাসপাতাল) হিমঘরে।

শনিবার (১৬ ডিসেম্বর) সকাল ১০টার দিকে পিজি হাসপাতালে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে মরহুমের পুত্র ঢাকা মেডিকেল কলেজের প্রভাষক ডা. এ এস এম রায়হানুল হক এ তথ্য জানান। এর আগে সকাল ৮টা ৩৯ মিনিটে পিজি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন মন্ত্রী ছায়েদুল হক।

রায়হানুল হক জানান, মন্ত্রীর মরদেহ আপাতত হাসপাতালের হিমঘরেই রাখা হবে। এখান থেকে রোববার সকাল ৮টায় মরহুমের মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে জাতীয় সংসদে।

সকাল সাড়ে ৯টায় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় হবে মরহুমের প্রথম নামাজে জানাজা। এসময় সেখানে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাসহ মন্ত্রিপরিষদ ও সংসদ সদস্য এবং দলের নেতারা ছায়েদুল হককে শেষ শ্রদ্ধা জানাবেন।

সেখান থেকে মরহুমের মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে তার নির্বাচনী এলাকা ও জন্মস্থান ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে। সেখানে মরহুমের এলাকায় বেলা ১১টায় হবে দ্বিতীয় নামাজে জানাজা। এরপর ছায়েদুল হককে তার পারিবারিক কবরস্থানে চির শায়িত করা হবে।

ডা. এ এস এম রায়হানুল হক জানান, আগস্ট মাস থেকে প্রোস্টেট গ্লান্ডের সংক্রমণে ভুগলে মন্ত্রীর অপারেশন হয়। ১৬ নভেম্বর থেকে তিনি পিজি হাসপাতালে ছিলেন।

এরপর বাসায় ফিরে যান। ফের অসুস্থ হয়ে পড়লে ৫ ডিসেম্বর আবার তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ১৩ ডিসেম্বর থেকে তাকে হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের (আইসিইউ) ১৬ নম্বর বেডে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। সকালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

১৯৪২ সালের ৪ মার্চ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে জন্ম নেওয়া ছায়েদুল হক ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) আসন থেকে মোট পাঁচবারের নির্বাচিত এমপি। তিনি ২০১৪ সালের ১২ জানুয়ারি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী

সেখান থেকে মরহুমের মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে তার নির্বাচনী এলাকা ও জন্মস্থান ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে। সেখানে মরহুমের এলাকায় বেলা ১১টায় হবে দ্বিতীয় নামাজে জানাজা। এরপর ছায়েদুল হককে তার পারিবারিক কবরস্থানে চিরশায়িত করা হবে।

ডা. এ এস এম রায়হানুল হক জানান, আগস্ট মাস থেকে প্রোস্টেট গ্লান্ডের সংক্রমণে ভুগলে মন্ত্রীর অপারেশন হয়। ১৬ নভেম্বর থেকে তিনি পিজি হাসপাতালে ছিলেন। এরপর বাসায় ফিরে যান। ফের অসুস্থ হয়ে পড়লে ৫ ডিসেম্বর আবার তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

১৩ ডিসেম্বর থেকে তাকে হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের (আইসিইউ) ১৬ নম্বর বেডে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। সকালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

১৯৪২ সালের ৪ মার্চ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে জন্ম নেওয়া ছায়েদুল হক ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) আসন থেকে মোট পাঁচবারের নির্বাচিত এমপি। তিনি ২০১৪ সালের ১২ জানুয়ারি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। আওয়ামী লীগের এ প্রবীণ নেতা এর আগে খাদ্য, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ছিলেন।

তার মৃত্যুর সংবাদের পরপরই মরহুমকে দেখতে পিজি হাসপাতালে ছুটে এসেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানকসহ শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা।