জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবেলায় প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বেড়েছে বাংলাদেশের (ভিডিও)

0
158

রাকিব হাসান : ভৌগলিক অবস্থানের কারনে বাংলাদেশ পৃথিবীর অন্যতম দুর্যোগপ্রবণ দেশ এবং জলবায়ু পরিবর্তনজনিত প্রভাবে বিশ্বের ক্ষতিগ্রস্থ দেশসমূহের মধ্যে অন্যতম। জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুকি মোকাবেলায় ২০০৯ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত ৫৬২টি প্রকল্প গ্রহন করে আবহাওয়া অধিদপ্তর সংস্থাটি। তবে সরকারের কর্মকাণ্ডে আরো দৃঢ়তা প্রয়োজন বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

দৈনন্দিন জীবনে প্রকৃতি ও পরিবেশের গুরুত্ব অপরিসীম। মানুষের জীবনের সাথে পরিবেশের সম্পর্ক অবিচ্ছেদ্য। অথচ মানুষের অপরিণামদর্শী কর্মকান্ডের কারণে প্রতিনিয়ত দূষিত হচ্ছে পরিবেশ। সারাবিশ্বে জনসংখ্যার চাপ, দ্রুত নগরায়ন, মাটি, পানি ও বায়ুদূষণের কারনে ভারসাম্য হারাচ্ছে প্রকৃতি।

জাতিসংঘের তথ্যমতে বায়ুদূষনের ফলে বিশ্বব্যাপী প্রতিবছর প্রায় ৭০ লক্ষ মানুষ মারা যায়। বায়ুদূষণজনিত রোগ প্রতিকারে স্বাস্থ্যসেবা খাতে প্রায় ৫ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয় হচ্ছে।

সাম্প্রতিক তথ্যমতে, বাংলাদেশের উপকুলে প্রতিবছর ১৪ মিলিমিটার করে সমুদ্রের পানির উচ্চতা বাড়ছে। অচিরেই দেশের ১৭ ভাগ এলাকা সমুদ্রগর্ভে বিলীন হয়ে যাবার আশংকা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

১৬ কোটি মানুষের দেশ বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে ঝুকিতে থাকা দেশগুলোর অন্যতম। তাই জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় এরই মধ্যে ১৬টি সার্বক্ষনিক বায়ুমান পরিবীক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করেছে বাংলাদেশ।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় গঠন করা হয়েছে ট্রাস্ট। জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবেলায় সক্ষম বাংলাদেশ গড়ে তোলাই যার মূল লক্ষ। সরকারের পাশাপাশি এই সংকট মোকাবেলায় এগিয়ে এসেছে বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানও।