জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী জোগানে দ্বিতীয় বৃহত্তম বাংলাদেশ

0
237

রাকিব হাসান : বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ একটি উজ্জ্বল নাম। নিরাপত্তা প্রদান থেকে শরু করে রাস্তা-ঘাট নির্মাণ, সহিংসতায় বিধ্বস্ত দেশগুলোর সরকার ও জনগণকে সহযোগীতা করারমত নিরলস কাজের মধ্য দিয়ে সুনাম অর্জন করেছেন বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা।

শান্তিরক্ষী প্রেরনের দিক থেকে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থায় দ্বিতীয়।

১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টম্বর জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে বাংলাদেশ। ২৫ সেপ্টেম্বর সাধারন অধিবেশনে জতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তার বাংলায় প্রদত্ত ভাষনে বিশ্বের সবর্ত্র শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের অব্যাহত সমর্থনের বিষয়ে দৃঢ় অঙ্গীকার করেন।

সবার প্রতি বন্ধুত্ব কারও প্রতি বৈরিতা নয়, এই মন্ত্রকে ধারন করে বিগত তিন দশক ধরে বিশ্বের শান্তিপ্রিয় ও বন্ধুপ্রতিম সকল দেশের সাথে সুসর্ম্পক বজায় রেখে বিশ্ব শান্তিপ্রতিষ্ঠায় জাতিসংঘের অধীনে পরিচালিত প্রায় সকল শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহন করছে বাংলাদেশে।

হাইতি থেকে পূর্ব তিমুর, লেবানন থেকে কঙ্গো পর্যন্ত বিশ্বের সকল সংঘাতপূর্ন এলাকায় পদ চিহ্ন রয়েছে বাংলাদেশের শান্তি রক্ষীদের।

জাতিসংঘের দেয়া তথ্যমতে বাংলাদেশ এখন জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী জোগানে দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ। বর্তমানে ১২৪টি দেশের একানব্বই হাজার আটান্ন জন শান্তিরক্ষীর মধ্যে ৭০৭৫ জন বাংলাদেশী।

শান্তিরক্ষা মিশনে এই বিপুল অংশগ্রহন বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি বিশ্বের অর্থনৈতিক ও সামরিকভাবে শক্তিশালী দেশসমুহের সাথে বাংলাদেশের পারস্পরিক কুটনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলেও মনে করেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের সাবেক এই স্থায়ী প্রতিনিধি।

এরই মধ্যে বিশ্ব শান্তি রক্ষায় বাংলাদেশ একটি মডেল জানিয়ে, শান্তির সংস্কৃতিতে তরুন সমাজকে উৎসাহিত করার পরামর্শ দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক সর্ম্পক বিভাগের চেয়াম্যান অধ্যাপক এহসানুল হক।