হাসান জাকির:

বাজি রেখে মানুষ যেতে পারে অনেক দূর আবার বাজিতেই হয় বাজিমাত হতে পারে ধ্বংস হয়ে যেতে পারে একটি পরিবারের অনেক কিছুই।

যার ইতিহাস এই পৃথিবীতে বিরল নয়। কালের আবর্তে এই বাজি এখন ক্ষুদ্র জোয়ার বোর্ডে। এখানেই ধ্বংস হচ্ছে যুবসমাজ। প্রতিদিন এভাবেই লাখ লাখ টাকার লেনদেন চলে রাজধানীর বিভিন্ন ক্লাব পাড়ায়।

সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা। মাইটিভির আলো আধারের গল্প টিমের অবস্থান মতিঝিলের ঢাকা ওয়ান্ডারার্স ক্লাবে। ভেতরে প্রবেশ করতেই চক্ষু চড়ক গাছ। গোপন ক্যামেরায় উঠে আসে নিষিদ্ধ জুয়ার বোর্ডের ভয়াবহ চিত্র।

সাংবাদিকের অবস্থান টের পেয়ে জড়ো হতে থাকে জুয়া নিয়ন্ত্রণকারীরা। জুয়া নিষিদ্ধ জেনেও বীর দর্পে শাষালেন সাংবাদিককে । অতঃপর সমোঝতার চেষ্টা।

শুধু মতিঝিল থানার পাশে শুধু ঢাকা ওয়ান্ডারার্স ক্লাবই নয় রয়েছে ভিক্টোরিয়া ক্লাব, আরামবাগ ক্লাবসহ এলাকাটির প্রায় পাঁচটি ক্লাবে চলছে রমরমা জুয়া খেলা। বিদেশ থেকে প্রশিক্ষিত জুয়াড়ী এনে খেলা নিয়ন্ত্রণ করছেন প্রভাবশালীরা।

এদিকে উত্তরা র‌্যাব সদরদপ্তরের নিকটবর্তী পুবালি ব্যাংকের বিল্ডিং, গুলশান লিংক রোডের ফুয়াং ক্লাব, ধানমন্ডি ক্লাব, উত্তরা ক্লাব, নিউ মার্কেট এলাকার এজাজ ক্লাব, কলাবাগান ক্লাব ও পল্টনের জামাল টাওয়ারের ১৪ তলায় অবস্থিত ক্লাবটিতে শুধু জুয়ার আসরই নয় চলে নৈশকালীন অশালীন ডিজে পার্টিও।  আর এসব আসরে অংশ নিয়ে সর্বশান্ত হচ্ছে সাধারণ মানুষ।