জয়ের নেশাই ডিসেম্বরে বিজয় অাসে

0
56

বিজয় গাঁথার ইতিহাসে ছড়িয়ে আছে মুক্তিকামী বাঙালির জয়ের উচ্ছাস। সেই বিজয়ের স্বপ্ন পুরুষ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আহবানেই স্বাধীনতার পথ প্রশস্ত হয়েছিল একাত্তরে।

অপারেশন সার্চলাইট বাস্তবায়নের আগে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট থেকে অস্ত্র কেড়ে নিতে পাক বাহিনীর পরিকল্পনা ব্যর্থ করে দেন বীর বাঙালি। অদম্য এই জয়ের নেশাই ডিসেম্বরে বিজয় এনে দেয়।

২৫ মার্চের কালো রাতের আঘাতের অন্যতম নায়ক ব্রিগেডিয়ার জাহানজেব। নীল নকশার বাস্তবায়নের আগে নিয়েছিলেন আরো অনেক পরিকল্পনা। তারই একটি ছিল ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সব অস্ত্র ফেরত নেয়া।

আ ক ম মোজাম্মেল হক

সেই পরিকল্পনা মতো ১৯ মার্চ ব্রিগেডিয়ার জাহান জেব গিয়েছিলেন ইস্ট বেঙ্গলের অস্ত্র কেড়ে নিতে। তবে তার সে স্বপ্ন ব্যর্থ করে দিয়েছিল মুক্তিকামী বাঙালি, বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে। সেদিনের সেই সফল পাল্টা আঘাতের অন্যতম নায়ক বর্তমানের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক।

বঙ্গবন্ধুর নির্দেশেই মুক্তিকামী মানুষ প্রতিরোধ গড়ে তোলে পাক বাহিনীর বিরুদ্ধে জানান তিনি। এই ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টই পরে মুক্তিযুদ্ধে বড় ভূমিকা রেখেছিল। দেশমাতৃকার মান বাঁচিয়ে রাখা মুক্তিকামী সেই দামাল ছেলেরাই পরে অংশ নেন মুক্তিযুদ্ধে।

অক্টোবরেই তৎকালীর প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আগরতলা ক্যাম্প পরিদর্শনে গিয়ে দুমাসের মধ্যেই বিজয় ছিনিয়ে আনার স্বপ্ন বুনে দেন মুক্তিসেনাদের চোখে এমনটাই জানান তিনি।

সেই স্বপ্ন চারাগাছ থেকে মহীরুহে পরিণত হতে সময় নেয়নি বেশি। ৩ ডিসেম্বর পাকিস্তান আক্রমণ করে ভারত। আর হানাদারদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশে চলে সর্বাত্মক আক্রমণ । তারপর আসে ১৬ ডিসেম্বরের চূড়ান্ত বিজয়।