টাঙ্গাইলে যমুনা নদীর ভাঙন শুরু, আতঙ্কে এলাকাবাসী

0
57

মির্জা মাসুদ রুবল:

টাঙ্গাইল সদর উপজেলার কাকুয়া ইনিয়নের চরপৌলী গ্রামে এক রাতে শতাধিক ঘরবাড়ি যমুনার গর্ভে চলে গেছে। স্থানীয়রা কিছু বুঝে ওঠার আগেই নদীগর্ভে তলিয়ে যায় সবকিছু।

ভাঙনের ফলে ওই এলাকার দুই শতাধিক তাঁত ফ্যাক্টরি হুমকিতে রয়েছে। এলাকাবাসী স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছে। প্রতিবছর বর্ষায় যমুনার ভাঙন কেড়ে নেয় সবকিছু। প্রতি বর্ষার দেড়-দুই মাস ভাঙনের আতঙ্কে দিন কাটান টাঙ্গাইল সদর উপজেলার কাকুয়া ইনিয়নবাসী।

এ বছর প্রথম দফায় পানি বাড়লেও গত এক সপ্তাহে প্রায় আড়াই ফুট কমেছে। একই সাথে যমুনার ভাঙনও বেড়েছে। ফলে প্রতি বছরের ন্যায় এবারও নিম্নবিত্তরা ভাঙনের শিকার হচ্ছেন।

বসত ভিটা ও বিস্তীর্ণ এলাকার ফসলি জমি দুইটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৬টি মসজিদসহ বহু স্থাপনা যমুনা নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। হুমকির মুখে দুই শতাধিক তাঁত ফ্যাক্টরি।

টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী  মো. শাজাহান সিরাজ জানান, বেরিবাঁধ নির্মাণ করা না হলে যমুনার করাল গ্রাস থেকে কোনভাবেই পরিত্রাণের উপায় নেই।

যমুনার ভাঙন স্থায়ীভাবে রোধ করতে একটি বাঁধ নির্মাণের ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানান কাকুয়া ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ।

টাঙ্গাইল যমুনা নদীর ভাঙন ঠেকাতে দ্রুত পদক্ষেপ নেবে প্রশাসন, দূর হবে ভাঙন আতংক, এমনটাই আশা করছেন এলাকাবাসী।